বড় ভূমিকম্পে প্রস্তুত ১০০ ফায়ার স্টেশন

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে একসঙ্গে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো একটি ফায়ার স্টেশন, আঞ্চলিক কার্যালয় কিংবা সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাতে উদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি থেমে না যায়, সে লক্ষ্যেই জনবল, উদ্ধার সরঞ্জাম ও কমান্ড কাঠামো বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

এই প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ৪১টি পয়েন্টে উদ্ধার সরঞ্জাম ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর পূর্বাচলে বিশেষ রেসকিউ টিম প্রস্তুত রাখা, বিভাগীয় শহরগুলোতে আলাদা বিশেষ উদ্ধার দল গঠন এবং ঢাকার বাইরে প্রায় ১০০টি ফায়ার স্টেশনকে জরুরি পরিস্থিতিতে রাজধানীকে সহায়তার জন্য সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। বড় ভূমিকম্পের পর সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হলে বিকল্পভাবে আকাশপথে উদ্ধারকারী দল ও সরঞ্জাম পাঠানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে একই সময়ে বহু স্থানে ভবনধস, অগ্নিকাণ্ড, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দুর্ঘটনা এবং মানুষের আটকে পড়ার মতো পরিস্থিতি সামাল দেওয়া। স্বাভাবিক সময়ে একটি স্টেশন থেকে কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হলেও বড় ভূমিকম্পে একই মুহূর্তে অসংখ্য স্থানে জরুরি সেবা প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে প্রচলিত কেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থার পরিবর্তে বিকেন্দ্রীকৃত প্রস্তুতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার জানিয়েছেন, বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় জনবল, উদ্ধার সরঞ্জাম এবং কমান্ড ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি স্থাপনা বা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অন্য কেন্দ্রগুলো থেকে দ্রুত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ভূমিকম্পের পর উদ্ধার অভিযানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো দ্রুত পরিস্থিতি মূল্যায়ন। কোথায় কত মানুষ আটকে আছেন, কোন ভবন কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, কোথায় আগুন বা গ্যাস লিকেজের আশঙ্কা রয়েছে এবং কোন এলাকায় আগে উদ্ধারকাজ চালানো প্রয়োজন—এসব সিদ্ধান্ত খুব অল্প সময়ের মধ্যে নিতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্ধারকারীদের নিজেদের নিরাপত্তাও এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ধসে পড়া ভবনের ভেতরে প্রবেশের পর দ্বিতীয় দফা ধস হলে উদ্ধারকারী দলও বিপদের মুখে পড়তে পারে।

এই বাস্তবতা মাথায় রেখে পুরান ঢাকার সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হলেও যাতে ফায়ার সার্ভিসের কমান্ড ব্যবস্থা সচল থাকে, সে লক্ষ্যেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কয়েকজনকে মিরপুরে অফিস করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সদর দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ মিডিয়া কার্যক্রমের একটি অংশও সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিরপুর-১০-এর পুরোনো ট্রেনিং কমপ্লেক্সের কার্যক্রম পূর্বাচলের নতুন মাল্টিপারপাস ট্রেনিং কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের দীর্ঘমেয়াদি সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও নতুন সদর দপ্তর নির্মাণকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঢাকার মিরপুরে নির্মাণাধীন নতুন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদর দপ্তরে প্রথমবারের মতো বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা এবং সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির লক্ষ্য হলো ভূমিকম্পের সময় গুরুত্বপূর্ণ জরুরি সেবা অবকাঠামোর কার্যকারিতা বজায় রাখা। ভবনটি বহুতল এবং ভূমিকম্পের কম্পন ভবনে সরাসরি স্থানান্তরের মাত্রা কমানোর জন্য বিশেষ প্রকৌশল কাঠামো ব্যবহার করা হচ্ছে।

বেজ আইসোলেশন প্রযুক্তিতে ভবনের ভিত্তি ও ওপরের কাঠামোর মধ্যে বিশেষ ধরনের আইসোলেশন ব্যবস্থা রাখা হয়, যার ফলে ভূমিকম্পের সময় মাটির গতির একটি বড় অংশ সরাসরি ভবনের কাঠামোয় সঞ্চারিত হয় না। মিরপুরের নতুন সদর দপ্তরটি বাংলাদেশে এ প্রযুক্তির প্রথম ভবন হিসেবে নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে এটি ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় কমান্ড, সমন্বয় এবং জরুরি ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে শুধু শক্তিশালী সদর দপ্তর নির্মাণ করলেই বড় ভূমিকম্প মোকাবিলা সম্ভব নয়। বিপর্যয়ের পর উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কোথায় থাকবে, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতদিন কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরে তুলনামূলকভাবে বেশি সরঞ্জাম রাখা হতো। বড় ভূমিকম্পে সেই ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হলে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম ব্যবহারের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাই ঢাকার আশপাশের ৪১টি পয়েন্টে প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম ভাগ করে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বিকেন্দ্রীকরণের ফলে কোনো একটি স্টেশন বা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কাছাকাছি অন্য স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আনা সম্ভব হবে। এতে উদ্ধার কার্যক্রম পুরোপুরি একটি সদর দপ্তর বা নির্দিষ্ট স্টেশনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে না। বড় দুর্যোগে সময়ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হওয়ায় এই ব্যবস্থাকে কার্যকর প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের মতো ব্যাপক দুর্যোগে সাধারণ ফায়ার স্টেশনের স্বাভাবিক জনবলও পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। এ কারণে বিশেষ রেসকিউ টিম বা এসআরটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর পূর্বাচলে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ সদস্যের একটি বিশেষ দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দুর্যোগের পর প্রয়োজন অনুযায়ী এই দলকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হবে। একইভাবে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে বিভিন্ন স্টেশন থেকে সদস্য নিয়ে প্রায় ২০ জনের বিশেষ উদ্ধার দল গঠনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব দলের সদস্যদের ধসে পড়া ভবনের ভেতরে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

রাজধানী ছাড়াও বড় ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নগর এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে বিভাগীয় শহরের বাইরের প্রায় ১০০টি ফায়ার স্টেশনকে সমন্বিত সহায়তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। রাজধানীর কোনো স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হলে অথবা একই সময়ে বিপুলসংখ্যক উদ্ধারকাজ শুরু হলে এসব স্টেশন থেকে জনবল ও সরঞ্জাম ঢাকায় পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে বড় ভূমিকম্পের পর সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে যোগাযোগব্যবস্থা। সড়ক ধসে যাওয়া, ধ্বংসস্তূপে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়া, যানজট, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা কিংবা মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে গেলে উদ্ধারকারী দলকে দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য ফায়ার সার্ভিস বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে।

গত আগস্টে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং অ্যামেচার রেডিও অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী যোগাযোগ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আট বিভাগের বিভিন্ন স্থানে দুর্যোগের সময় প্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থা অচল হয়ে গেলে বিকল্প রেডিও যোগাযোগ কীভাবে চালু রাখা যায়, তা অনুশীলন করা হয়। ভূমিকম্প ছাড়াও ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, ভূমিধস ও অন্যান্য দুর্যোগের পরিস্থিতি এতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।

এ ছাড়া বড় ভূমিকম্পের পর ভারী উদ্ধার সরঞ্জামের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বেসরকারি ও সরকারি সংস্থার কাছে থাকা ক্রেন, এক্সকাভেটরসহ বিভিন্ন ভারী যন্ত্রপাতি সমন্বিতভাবে ব্যবহারের বিষয়েও কাজ চলছে। জরুরি সময়ে এসব যন্ত্র দ্রুত ঘটনাস্থলে নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করার জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ভূমিকম্পের ঝুঁকি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা একটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন—ভূমিকম্প কখন হবে, তা নির্দিষ্ট করে আগাম বলে দেওয়ার মতো নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি এখনো নেই। তাই ‘শত বছর পরপর বড় ভূমিকম্প হবেই’—এমন সরল হিসাবের ভিত্তিতে আতঙ্কিত হওয়ার চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নগর ব্যবস্থাপনা, ভবনের নিরাপত্তা, উদ্ধার সক্ষমতা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগবিজ্ঞান ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমানের মতে, বাংলাদেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং ঢাকার পাশাপাশি সিলেট, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় সমন্বিত প্রস্তুতি প্রয়োজন। তাঁর মতে, প্রশিক্ষিত উদ্ধারকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সংগ্রহ, নিয়মিত মহড়া এবং সরঞ্জামের রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা জরুরি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক অপারেশনস ও মেইনটেন্যান্স লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসানও বড় ভূমিকম্পের পর একসঙ্গে বহু স্থানে বিপর্যয় মোকাবিলাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ভবনধসের পাশাপাশি গ্যাসলাইন থেকে আগুন, বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা ও ধ্বংসস্তূপ উদ্ধার অভিযানকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশেষ করে ঢাকার সরু সড়ক, যানজট, অবৈধ পার্কিং এবং ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকারী গাড়ির ঘটনাস্থলে পৌঁছানো কঠিন হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন, আটকে পড়া মানুষ শনাক্ত করা, অগ্রাধিকার অনুযায়ী উদ্ধারকাজ পরিচালনা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ধারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে প্রবেশ না করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সব মিলিয়ে বড় ভূমিকম্পের সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের বর্তমান প্রস্তুতি শুধু জনবল বাড়ানো বা নতুন সরঞ্জাম সংগ্রহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সদর দপ্তরের বিকল্প কমান্ড ব্যবস্থা, ৪১টি পয়েন্টে উদ্ধার সরঞ্জাম ছড়িয়ে দেওয়া, বিশেষ রেসকিউ টিম, প্রায় ১০০টি ফায়ার স্টেশনের সমন্বিত সহায়তা পরিকল্পনা, বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থার মহড়া এবং ভূমিকম্প-সহনশীল নতুন সদর দপ্তর—সব মিলিয়ে একটি বিকেন্দ্রীকৃত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রস্তুতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা, ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা, জরুরি বহির্গমন পথ, মহড়া এবং নগর ব্যবস্থাপনার উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বড় ভূমিকম্পের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় কত দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করা যায় এবং কতটা সমন্বিতভাবে তা পরিচালিত হয়, তার ওপরই বহু মানুষের জীবন রক্ষার সম্ভাবনা অনেকাংশে নির্ভর করবে।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

সিলেটের সিলামে ওয়াকফ বিরোধে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে হামে ৯ মাসে ১৮২ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জুড়ীতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে ২০ টন মাছ নিধন

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ব্রোঞ্জ হারিয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাহউদ্দীন

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

দুর্গাপূজায় শিক্ষার্থীদের টানা ৯ দিনের ছুটি

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

সিলেটের সিলামে ওয়াকফ বিরোধে সংঘর্ষ, যুবক নিহত

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে হামে ৯ মাসে ১৮২ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জুড়ীতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগে ২০ টন মাছ নিধন

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ব্রোঞ্জ হারিয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন সালাহউদ্দীন

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

দুর্গাপূজায় শিক্ষার্থীদের টানা ৯ দিনের ছুটি

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে এবার ৬৩৬ মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আদালতে হাতকড়া-হেলমেট নিয়ে ক্ষুব্ধ আখতারুজ্জামান

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বাংলাদেশকে বিনিয়োগের বড় কেন্দ্রে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ