ইতালিতে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট, রাজপথে হাজারো মানুষ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান উন্নয়ন, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সামরিক খাতে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রতিবাদে ইতালিজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দেশটির ৪০টির বেশি শহরে আয়োজিত কর্মসূচিতে হাজারো শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। রাজধানী রোম থেকে শুরু করে মিলান, তুরিন ও জেনোয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে মিছিল, সমাবেশ এবং অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের দাবি তুলে ধরেন তাঁরা। অধিকাংশ স্থানে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলেও কয়েকটি এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হয়। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলকামান ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শ্রমিক সংগঠন ইউনিয়নে সিনদাকালে দি বাসে বা ইউনিয়ন অব বেসিক ট্রেড ইউনিয়নস ২৪ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। সংগঠনটির আহ্বানে বিভিন্ন খাতের শ্রমিকেরা কর্মবিরতি পালন করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, বামপন্থী কর্মী এবং সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের মূল বক্তব্য ছিল, সাধারণ মানুষের আয় ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান কমাতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি জনসেবামূলক খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সরকারি সেবার মান উন্নত করতে হবে।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাসস্থান, জ্বালানি ও দৈনন্দিন সেবার ব্যয় বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবন ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। অথচ অনেক শ্রমিকের আয় সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ফলে মাসিক আয়ের বড় অংশ ব্যয় হয়ে যাচ্ছে মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবারগুলোর ওপর এই চাপ বেশি পড়ছে। তাঁদের মতে, শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হিসাব দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনমান বোঝা সম্ভব নয়; মানুষের প্রকৃত আয়, কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় সেবা পাওয়ার সুযোগও বিবেচনায় নিতে হবে।

শুক্রবারের কর্মসূচিতে সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধির বিরুদ্ধেও জোরালো অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, সামরিক খাতে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর পরিবর্তে সরকারকে জনকল্যাণমূলক খাত, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংঘাত এবং অস্ত্র বাণিজ্যের প্রসঙ্গ তুলে তাঁরা সামরিক ব্যয়ের সামাজিক ও মানবিক প্রভাব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে অস্ত্র রপ্তানি ও যুদ্ধের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের বিরোধিতা করে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ জানানো হয়।

উত্তরাঞ্চলীয় শহর তুরিনে বিক্ষোভকারীদের একটি দল কেন্দ্রীয় সরকারের স্থানীয় প্রশাসনিক দপ্তরের সামনে পুলিশের তৈরি নিরাপত্তাবেষ্টনীর দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে শিক্ষার্থী ও বামপন্থী কর্মীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ জলকামান ব্যবহার করে তাঁদের পিছু হটানোর চেষ্টা করে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুরো কর্মসূচির পরিস্থিতি একরকম ছিল না; বিভিন্ন শহরে শান্তিপূর্ণ মিছিল ও সমাবেশের মধ্য দিয়েও প্রতিবাদকারীরা তাঁদের দাবি তুলে ধরেন।

রাজধানী রোমে কলোসিয়ামের আশপাশে বড় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে শ্রমিক অধিকার, জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি সেবা উন্নয়নের দাবি জানান। বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ সেখানে তাঁবু স্থাপন করে পুরো সপ্তাহান্ত অবস্থান করার পরিকল্পনার কথা জানায়। তাঁদের বক্তব্য, এক দিনের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষের সমাধান হবে না। তাই দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ অব্যাহত রাখার বিষয়ে তাঁরা আগ্রহী।

সন্ধ্যার দিকে রোমে বিক্ষোভকারীদের একটি বড় দল পার্লামেন্ট ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা একাধিকবার পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রমের চেষ্টা করলে তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করা হয়। এ ঘটনায় আটজনকে আটক করার খবরও পাওয়া গেছে। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাঁদের পরবর্তী আইনি অবস্থা কী, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

মিলানেও শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বড় মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা শহরের রিং রোড এলাকায় মিছিল করেন এবং পরে পলিটেকনিকো দি মিলানো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন। মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকের হাতে মশাল ছিল। কয়েকটি স্থানে আগুন জ্বালানোর ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। তবে সামগ্রিকভাবে মিলানের কর্মসূচি ছিল শ্রমিক অধিকার, শিক্ষা ও সামাজিক ন্যায়বিচারের দাবিকে কেন্দ্র করে।

জেনোয়া বন্দরে বিক্ষোভের চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন। সেখানে প্রায় ১৫ হাজার বন্দরশ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষ জড়ো হন। তাঁরা ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চলমান বিক্ষোভ ও সংঘাতের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে বন্দর ব্যবহার করে অস্ত্র রপ্তানির বিরোধিতা করেন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্যে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে কৃষ্ণসাগর পর্যন্ত বিভিন্ন সংঘাতে নাবিকদের প্রাণহানির বিষয়টিও উঠে আসে। তাঁদের মতে, আন্তর্জাতিক সংঘাতের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের সম্পর্ক এবং অস্ত্র পরিবহনের ভূমিকা নিয়ে আরও জবাবদিহি থাকা প্রয়োজন।

জেনোয়ার বিক্ষোভে বন্দরশ্রমিকদের অংশগ্রহণ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ, বন্দর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ বন্দর কার্যক্রমের পাশাপাশি অস্ত্র পরিবহন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে জনমত তৈরির ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিক্ষোভকারীরা তাঁদের অবস্থানের মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছেন, শ্রমিকদের অধিকার ও মানবিক মূল্যবোধের প্রশ্নকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই।

ইতালিতে চলতি মাসের শুরুতেও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় কিছু বিক্ষোভকারী দোকানপাটে লুটপাট এবং বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেই অভিজ্ঞতার পর শুক্রবারের কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক ছিল প্রশাসন। যদিও অধিকাংশ শহরে বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল, কয়েকটি স্থানে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা ও পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনা নতুন করে পরিস্থিতি জটিল করে তোলে।

ইতালির বাইরে ইউরোপের অন্যান্য দেশেও জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক চাপ এবং বিভিন্ন সামাজিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে বিক্ষোভ দেখা গেছে। ফ্রান্স, স্পেন, বেলজিয়াম ও আলবেনিয়াতেও বিভিন্ন দাবিতে মানুষ রাজপথে নেমেছেন। এসব কর্মসূচির মধ্যে কিছু বিষয়ে মিল রয়েছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতি, আয় ও ব্যয়ের ব্যবধান, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং সরকারি সেবার মান নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ বিভিন্ন দেশে প্রকাশ পাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি যখন দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের আয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন তা শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকে না; সামাজিক ও রাজনৈতিক অসন্তোষেরও কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শ্রমিকদের মজুরি, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, শিক্ষার সুযোগ এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো বিষয়গুলো সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত। ফলে এসব ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত উন্নতি না হলে প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি জানানোর প্রবণতা বাড়তে পারে।

ইতালির শুক্রবারের ধর্মঘটও সেই বৃহত্তর অসন্তোষের প্রতিফলন হিসেবে সামনে এসেছে। শ্রমিক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক আন্দোলনের কর্মীরা অংশ নেওয়ায় কর্মসূচিটি কেবল মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। এতে সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনা, আন্তর্জাতিক সংঘাত, অস্ত্র বাণিজ্য এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের মতো বিষয়ও যুক্ত হয়েছে। এখন সরকারের পক্ষ থেকে এসব দাবির বিষয়ে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে কোনো আলোচনার উদ্যোগ আসে কি না, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সব মিলিয়ে ইতালিজুড়ে ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট দেশটির অর্থনৈতিক ও সামাজিক অসন্তোষকে নতুন করে সামনে এনেছে। বিক্ষোভকারীরা তাঁদের দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পরিবেশ বজায় রাখা এবং সংঘর্ষ এড়িয়ে দাবি-দাওয়া আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার চাপ কমানো, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা এবং জনসেবার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে এই অসন্তোষ ভবিষ্যতেও ইতালির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে থাকতে পারে।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

তাহসিফ হত্যা: বন্ধু দীপের চার দিনের রিমান্ড

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শাল্লায় বাড়িঘর ভাঙচুর, ৩৫ লাখ টাকার লুটের অভিযোগ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে এইচএসসিতে পাঁচ বছর ধরে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

তাহসিফ হত্যা: বন্ধু দীপের চার দিনের রিমান্ড

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শাল্লায় বাড়িঘর ভাঙচুর, ৩৫ লাখ টাকার লুটের অভিযোগ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে ১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে এইচএসসিতে পাঁচ বছর ধরে পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেট বোর্ডে এইচএসসির ফল বিপর্যয়, পাসের হার ৫০.৯০%

প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু ১ হাজার ২৫১ ছাড়াল

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ