প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।
এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই পাস করতে পারেনি। পাসের হার নেমে এসেছে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশে, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন বলে বোর্ডের পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে। একদিকে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়া, অন্যদিকে জিপিএ-৫ কমে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
শনিবার সকালে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার বোর্ডের অধীনে মোট ৭১ হাজার ৮৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩৬ হাজার ৫৯৭ জন। অন্যদিকে অকৃতকার্য হয়েছে ৩৫ হাজার ২৯৬ জন শিক্ষার্থী। অর্থাৎ পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যার সঙ্গে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যার ব্যবধান খুব বেশি নয়। ফলাফলের এই চিত্র সিলেট বিভাগের উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার মান, প্রস্তুতি এবং মূল্যায়নব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে।
ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডের অধীনে ৬৯ হাজার ১৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। চলতি বছর সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ হাজার ৮৯৩ জনে। অর্থাৎ পরীক্ষার্থী বেড়েছে ২ হাজার ৭২১ জন। কিন্তু পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও পাসের হার বাড়েনি; বরং কমেছে। গত বছর পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ, এবার তা কমে হয়েছে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে শূন্য দশমিক ৯৬ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। ২০২৫ সালে যেখানে ১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল, এবার সেখানে সর্বোচ্চ ফল অর্জন করেছে ১ হাজার ২০৪ জন। অর্থাৎ এক বছরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩৯৮ জন।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের বিগত বছরগুলোর ফলাফল পর্যালোচনা করলেও এবারের পরিস্থিতির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৬ সালে পাসের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। পরবর্তী সময়ে ফলাফলে উন্নতি দেখা যায় এবং ২০১০ সালে পাসের হার দাঁড়ায় ৭৬ দশমিক ১২ শতাংশে। ২০১২ সালে তা বেড়ে ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশে পৌঁছায়। এরপর কয়েক বছর ধরে ফলাফলে ওঠানামা চলতে থাকে। ২০১৩ সালে পাসের হার ছিল ৭৪ দশমিক ৩০ শতাংশ এবং ২০১৯ সালে তা কমে দাঁড়ায় ৬৭ দশমিক ০৫ শতাংশে।
করোনাভাইরাস মহামারির সময় পরীক্ষার ধরন ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসে। ২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সরাসরি অনুষ্ঠিত হয়নি। ওই বছর আগের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সব পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে সিলেট বোর্ডসহ দেশের অন্যান্য শিক্ষা বোর্ডেও পাসের হার ছিল শতভাগ। পরবর্তী বছর ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয় এবং জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের কিছু নম্বর বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছিল। সে বছর সিলেট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৮০ শতাংশ।
পরবর্তী সময়ে স্বাভাবিক পরীক্ষাপদ্ধতিতে ফিরে আসার পর ফলাফলে আবারও পরিবর্তন দেখা যায়। ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮১ দশমিক ৪০ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭১ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৮৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ। তবে ২০২৫ সালে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমে আসে। চলতি বছর সেই হার আরও কমে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সামগ্রিক পরিসংখ্যান বলছে, মহামারির সময়কার অস্বাভাবিক উচ্চ পাসের হার বাদ দিলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিলেট বোর্ডের ফলাফলে ধারাবাহিক অস্থিরতা রয়েছে।
শুধু সিলেট নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জাতীয় পর্যায়েও পাসের হার কমেছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। ফলে জাতীয় গড়ের চেয়েও সিলেট বোর্ডের পাসের হার কিছুটা কম। তবে বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে সিলেটের অবস্থান এবং প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি আলাদাভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ের ফলাফলের সঙ্গে তুলনা করলে বোঝা যায়, উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, পাঠদান এবং পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়গুলো নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে বিভাগভিত্তিক পার্থক্যও লক্ষণীয়। প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এ বিভাগে ১৪ হাজার ৩৫৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯ হাজার ৮৩৮ জন। মানবিক বিভাগে ৪৯ হাজার ৩৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২২ হাজার ৮৪৮ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৪৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। অন্যদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৮ হাজার ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ হাজার ৯১১ জন। এ বিভাগে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮১ শতাংশ। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে, বিজ্ঞান বিভাগের তুলনায় মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার অনেক কম। বিশেষ করে মানবিক বিভাগে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সামগ্রিক ফলাফলেও এর প্রভাব পড়েছে।
লিঙ্গভিত্তিক ফলাফলেও ছাত্রীদের এগিয়ে থাকার চিত্র পাওয়া গেছে। বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৮ হাজার ৯৩৫ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছে ১৪ হাজার ৯৬ জন। তাদের পাসের হার ৪৮ দশমিক ৭২ শতাংশ। অন্যদিকে ৪২ হাজার ৯৫৮ জন ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২২ হাজার ৫০১ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে। এই পার্থক্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি, শিক্ষার পরিবেশ, উপস্থিতি এবং বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এবারের ফলাফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক চিত্রও উদ্বেগ তৈরি করেছে। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন জানিয়েছেন, সিলেট বিভাগের ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জের একটি এবং সুনামগঞ্জের দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। একই বিভাগের কোনো প্রতিষ্ঠানে শতভাগ পাস এবং অন্য প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করার বিষয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষার মান, পাঠদানের পরিবেশ ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে পার্থক্যের ইঙ্গিত দেয়।
তবে ফলাফলের এই পার্থক্যকে শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত দুর্বলতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যথাযথ হবে না। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল নির্ভর করে নিয়মিত পাঠদান, দক্ষ শিক্ষক, পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি, পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করা এবং শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক মূল্যায়নের ওপর। পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের তুলনামূলক কম পাসের হার এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শূন্য পাসের ঘটনা আলাদাভাবে তদন্তের দাবি রাখে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াছমীন জানিয়েছেন, এবার পরীক্ষায় অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় সামগ্রিক ফলাফলে এর প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষা চলাকালে প্রতিকূল আবহাওয়া ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিও ফলাফল খারাপ হওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে। বোর্ডের কর্মকর্তারা কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি খারাপ করেছে এবং কোন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফল তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয়েছে, তা বিশ্লেষণ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। সেই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ফলাফলের অবনতির কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
পরীক্ষায় অনুপস্থিতির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে। কারণ, পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া শিক্ষার্থীদের পেছনে পারিবারিক আর্থিক সংকট, অসুস্থতা, যাতায়াতের সমস্যা, শিক্ষাজীবনে অনিয়ম কিংবা অন্য কোনো বাস্তব পরিস্থিতি কাজ করতে পারে। তাই শুধু অনুপস্থিতির সংখ্যা উল্লেখ করেই দায়িত্ব শেষ করা যাবে না; কেন শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একইভাবে যারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েও অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের বিষয়ভিত্তিক দুর্বলতা চিহ্নিত করে সহায়তার ব্যবস্থা করা জরুরি।
সিলেট বিভাগের হাজারো শিক্ষার্থীর জন্য এই ফলাফল শুধু একটি পরীক্ষার পরিসংখ্যান নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি, ভবিষ্যৎ কর্মজীবন এবং পরিবারের প্রত্যাশা। যারা অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের অনেকের সামনে এখন নতুন করে প্রস্তুতি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ রয়েছে। আবার যারা পাস করেও কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারেনি, তাদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হতে পারে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করা এবং ফলাফলকে কেন্দ্র করে কাউকে অপমান বা নিরুৎসাহিত না করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের বিশ্লেষণ, বিষয়ভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই ছাড়া এই অবনতির পূর্ণাঙ্গ কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই সিলেট শিক্ষা বোর্ডের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে তথ্যনির্ভর অনুসন্ধানের মাধ্যমে দুর্বলতাগুলো শনাক্ত করা। যেসব বিষয়ে পাসের হার কম, সেসব বিষয়ে অতিরিক্ত পাঠদান, নিয়মিত মূল্যায়ন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, শিক্ষকসংকট ও শিক্ষা উপকরণের ঘাটতি থাকলে সেগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
এবারের ফলাফল সিলেটের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে। পাসের হার বাড়ানোই একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়; বরং শিক্ষার্থীরা প্রকৃত অর্থে কতটা শিখছে, বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা কতটা অর্জন করছে এবং উচ্চশিক্ষার জন্য কতটা প্রস্তুত হচ্ছে, সেটিই হওয়া প্রয়োজন মূল বিবেচ্য। নিয়মিত পাঠদান, জবাবদিহি, মানসম্মত মূল্যায়ন এবং শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব। তবে তার জন্য প্রয়োজন দ্রুত উদ্যোগ, সঠিক কারণ নির্ধারণ এবং ঘোষিত পদক্ষেপগুলোর বাস্তবায়ন।


