সর্বজনীন পেনশনে মুনাফা বাড়ল, নমিনির সুবিধাও

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিনিয়োগের বিপরীতে গ্রাহকদের জন্য মুনাফার হার ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কোনো পেনশনারের মৃত্যুর পর তাঁর নমিনি বা স্বামী-স্ত্রীর পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৭৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ৮০ বছর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সভায় সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার বর্তমান কার্যক্রম পর্যালোচনার পাশাপাশি গ্রাহকদের সুবিধা বাড়ানো, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা এবং এ ব্যবস্থায় মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।

নতুন সিদ্ধান্তের সবচেয়ে সরাসরি প্রভাব পড়বে পেনশন গ্রাহকদের হিসাবে যুক্ত হওয়া মুনাফায়। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বজনীন পেনশন তহবিলের আওতায় বিনিয়োগ করা অর্থের বিপরীতে সর্বোচ্চ মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ অনুমোদন করা হয়েছে। আগের নির্ধারিত হার ছিল ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। অর্থাৎ হারটি সামান্য বাড়ানো হয়েছে। জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে গ্রাহকের বিনিয়োগ করা অর্থের বিপরীতে অনুমোদিত হারে মুনাফা তাঁর পেনশন হিসাবে যুক্ত হবে।

তবে এই মুনাফার হারকে ব্যাংক আমানতের নির্দিষ্ট সুদহার বা ভবিষ্যতের জন্য স্থায়ী রিটার্ন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি সংশ্লিষ্ট অর্থবছরের বিনিয়োগের বিপরীতে অনুমোদিত মুনাফা। ফলে সময়ের সঙ্গে বিনিয়োগের ফলাফল ও তহবিল ব্যবস্থাপনার ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পেনশন ব্যবস্থায় গ্রাহকদের জন্য শুধু একটি অর্থবছরের মুনাফার হার নয়, বরং তহবিলের বিনিয়োগ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অন্যদিকে পেনশনারের মৃত্যুর পর নমিনির সুবিধার ক্ষেত্রে পরিবর্তনটি অনেক পরিবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেনশনার জীবিত থাকলে তিনি আজীবন পেনশন সুবিধা পাবেন। তাঁর মৃত্যুর পর সংশ্লিষ্ট স্বামী বা স্ত্রী/নমিনি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত পেনশন পাওয়ার সুযোগ পাবেন। আগে এই বয়সসীমা ছিল ৭৫ বছর। ফলে পেনশনারের মৃত্যুর পর তাঁর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যের জন্য আর্থিক সহায়তার সময়কাল আরও পাঁচ বছর বাড়ল।

দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ একজন মানুষ অবসরজীবনের জন্য যে অর্থ দীর্ঘদিন ধরে জমা করেন, তাঁর মৃত্যুর পর সেই আর্থিক নিরাপত্তার একটি অংশ পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যের কাছে অব্যাহত থাকা পেনশন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। বিশেষ করে স্বামী বা স্ত্রীর বয়স বেশি হলে পেনশনারের মৃত্যুর পর আয় কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বয়সসীমা ৭৫ থেকে ৮০ বছর করায় এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী নমিনির জন্য সহায়তার সময়কাল বাড়বে।

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করার অংশ হিসেবে শরিয়াহভিত্তিক বা ইসলামিক পেনশন স্কিম চালুর বিষয়েও সভায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামিক ধারার পেনশন ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে এবং এর কাঠামো ও বাস্তবায়ন পদ্ধতি নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও কাজ করা হবে। বর্তমানে চালু থাকা প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা—এই চারটি স্কিমের পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক বিকল্প যুক্ত হলে ধর্মীয় ও আর্থিক নীতির কারণে প্রচলিত স্কিমে অংশ নিতে অনাগ্রহী সম্ভাব্য গ্রাহকদের জন্য নতুন একটি সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সর্বজনীন পেনশনের আওতা বাড়ানোর আরেকটি উদ্যোগ হিসেবে সরকারি পেনশন ব্যবস্থার বাইরে থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ‘প্রগতি’ স্কিমের আওতায় আনার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পেনশন কাঠামোর আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হচ্ছে, যারা প্রচলিত সরকারি পেনশন ব্যবস্থার আওতাভুক্ত নন।

নতুন গ্রাহক বাড়াতে মাঠপর্যায়ের নিবন্ধন ব্যবস্থাকেও উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে একজন নতুন গ্রাহক নিবন্ধনের বিপরীতে কমিশন ১৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ টাকা করার সিদ্ধান্তের কথা একাধিক প্রতিবেদনে এসেছে। একই সঙ্গে ব্যাংক, ডাক বিভাগ ও মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট চ্যানেলগুলোর জন্য প্রণোদনা বা কমিশন কাঠামো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর লক্ষ্য হলো শহরের পাশাপাশি গ্রাম ও প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে পেনশন ব্যবস্থার নিবন্ধন ও সেবা আরও সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া।

সভায় পাঁচ বছর চাঁদা জমা দেওয়ার পর বিশেষ পরিস্থিতিতে পেনশন হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। শারীরিক বা আর্থিক অক্ষমতার মতো পরিস্থিতিতে গ্রাহকের প্রয়োজন বিবেচনায় অর্থ উত্তোলনের একটি ব্যবস্থা করা যায় কি না, তা নিয়ে আলোচনা হলেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ ও কাঠামো তৈরি করে পরবর্তী পর্যায়ে প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

পেনশন ব্যবস্থার সঙ্গে স্বাস্থ্য সুরক্ষা যুক্ত করার সম্ভাবনাও আলোচনায় এসেছে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের গ্রাহকদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা চালু করা যায় কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আলোচনা করেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্বাস্থ্যবিমা চালু করলে কোন মডেলে তা পরিচালিত হবে, তহবিলের ওপর সম্ভাব্য আর্থিক ঝুঁকি কতটা হতে পারে এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার কাঠামো কী হবে—এসব বিষয় আরও বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনগুলোতে জানানো হয়েছে।

সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার বর্তমান পরিধিও সভায় পর্যালোচনা করা হয়েছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চারটি বিদ্যমান স্কিমে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার গ্রাহক নিবন্ধিত হয়েছেন এবং তাঁদের জমার পরিমাণ প্রায় ২৮৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবস্থা চালুর পর ধীরে ধীরে গ্রাহকসংখ্যা বাড়লেও দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর তুলনায় এর আওতা এখনো সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

একটি কার্যকর পেনশন ব্যবস্থা শুধু অবসরকালীন মাসিক আয় নিশ্চিত করার বিষয় নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদে একজন মানুষের আর্থিক পরিকল্পনা, পরিবারের নিরাপত্তা এবং বার্ধক্যে নির্ভরশীলতা কমানোর সঙ্গেও সম্পর্কিত। বাংলাদেশের বড় একটি অংশের কর্মজীবী মানুষ প্রচলিত সরকারি পেনশন ব্যবস্থার বাইরে থাকায় সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার সফল বাস্তবায়ন তাদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ধরে রাখতে বিনিয়োগের স্বচ্ছতা, নিয়মিত তথ্য প্রকাশ, সঠিক হিসাব, গ্রাহকসেবা এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাকে শুধু একটি সঞ্চয়ভিত্তিক কর্মসূচি হিসেবে না রেখে এর আওতা, সুবিধা ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা চলছে। মুনাফার হার সামান্য বৃদ্ধি, নমিনির পেনশন পাওয়ার বয়সসীমা ৮০ বছর করা, শরিয়াহভিত্তিক স্কিমের উদ্যোগ, নতুন গ্রাহক নিবন্ধনে প্রণোদনা এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যবিমার মতো সুবিধা যুক্ত করার আলোচনা—সব মিলিয়ে ব্যবস্থাটিকে আরও গ্রাহকবান্ধব করার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তবে এসব উদ্যোগের প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন, নিয়মকানুনের স্পষ্টতা এবং তহবিল ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি স্বচ্ছতার ওপর। বিশেষ করে গ্রাহকের অর্থ কীভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, কীভাবে মুনাফা নির্ধারিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ পেনশন সুবিধা কীভাবে সুরক্ষিত রাখা হবে—এসব বিষয়ে নিয়মিত ও সহজবোধ্য তথ্য প্রকাশ মানুষের আস্থা বাড়াতে পারে। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য যেহেতু দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তার আওতায় আনা, তাই এর পরবর্তী অগ্রযাত্রায় সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি জবাবদিহি ও স্থায়িত্ব নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫০ শিক্ষার্থী পেল স্কলারশিপ

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

একাদশে ভর্তিতে শিক্ষার্থীশূন্য সিলেটের ১০ কলেজ

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৩৮, জব্দ চোরাইপণ্য

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জাফলং থেকে ফেরার পথে পর্যটক হয়রানি, ৪ পুলিশ বরখাস্ত

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ভাইরাল অডিওর পর ডিবিতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

জিপিএ-৫ পাওয়া ২৫০ শিক্ষার্থী পেল স্কলারশিপ

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

একাদশে ভর্তিতে শিক্ষার্থীশূন্য সিলেটের ১০ কলেজ

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৩৮, জব্দ চোরাইপণ্য

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জাফলং থেকে ফেরার পথে পর্যটক হয়রানি, ৪ পুলিশ বরখাস্ত

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ভাইরাল অডিওর পর ডিবিতে ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ছেলের মুখ দেখার আগেই সৌদিতে প্রাণ গেল মতিউরের

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শ্রীমঙ্গলে বাড়ির আঙিনায় ১৮ ফুটের অজগর

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সর্বজনীন পেনশনে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ