উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয়-মেয়াদ বৃদ্ধি ঠেকাতে ১৩ পদক্ষেপ

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ার প্রবণতা ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। প্রকল্প গ্রহণের শুরু থেকে বাস্তবায়নের শেষ পর্যায় পর্যন্ত পরিকল্পনা, তদারকি, জবাবদিহিতা ও সমন্বয় জোরদারের পাশাপাশি অনিয়ম বা অযৌক্তিক বিলম্বের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার ১৩ দফা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নির্ধারিত সময় ও ব্যয়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে সরকারের পরিকল্পনা এবং মনিটরিং ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া জানতে চান, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বারবার বাড়ানোর প্রবণতা রোধে সরকারের কোনো নির্দেশনা রয়েছে কি না। একই সঙ্গে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সরকারের পরিকল্পনা কী, সে বিষয়েও জানতে চান তিনি।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে সাধারণত একটি মাত্র কারণ কাজ করে না। প্রকল্প প্রণয়ন থেকে শুরু করে অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন পর্যায়ের দুর্বলতা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে। এর ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হয় না এবং পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর প্রয়োজন দেখা দেয়।

সরকারের পর্যবেক্ষণে এসব সমস্যার বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত হয়েছে। এর মধ্যে দুর্বল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, প্রকল্পের ব্যয়ের যথাযথ প্রাক্কলন না করা, প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে দুর্বলতা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ইউটিলিটি স্থানান্তরে জটিলতা, ক্রয় প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়া, সময়মতো প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া এবং আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ঘাটতিকে অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সরকারের নতুন উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে প্রকল্প অনুমোদনের আগেই এর বাস্তবায়নযোগ্যতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত যাচাই নিশ্চিত করা। এ জন্য নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, সম্ভাব্য ব্যয়, বাস্তবায়নের সময়, জমির প্রয়োজন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় যথাযথভাবে যাচাই না করে প্রকল্প গ্রহণের প্রবণতা কমানোর লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন প্রস্তুতিও দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রকল্প অনুমোদন পাওয়ার পরও ভূমি, জনবল, অর্থায়ন, নকশা কিংবা ক্রয়সংক্রান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। এতে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে। নতুন ব্যবস্থায় অনুমোদনের পর দ্রুত বাস্তবায়ন পর্যায়ে যাওয়ার বিষয়টি নজরদারির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনসংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকাগুলোও সময়োপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত বাস্তবতা এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনার নতুন চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এসব নির্দেশনা হালনাগাদ করা হলে প্রকল্প অনুমোদন ও সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অপ্রয়োজনীয় জটিলতা কমবে বলে মনে করছে সরকার।

চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কোন প্রকল্প কতটা এগিয়েছে, কোথায় কাজ আটকে আছে এবং নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কোনো প্রকল্প পিছিয়ে পড়ছে কি না, তা দ্রুত শনাক্ত করার সুযোগ তৈরি হবে।

এর পাশাপাশি নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা এবং মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কাগজে-কলমে প্রকল্পের অগ্রগতি দেখানোর পরিবর্তে বাস্তবে কাজ কতটা হয়েছে, কাজের মান কেমন এবং নির্ধারিত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না—এসব বিষয় সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরকে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সড়ক, সেতু, রেল, বিদ্যুৎ, পানি কিংবা অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ ও বিদ্যমান ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব হলে পুরো প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে যায়। এ ধরনের জটিলতা কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ না হলে শুধু সময় বাড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে বিলম্বের কারণ খতিয়ে দেখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অবহেলা, অদক্ষতা কিংবা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বাড়লে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এর ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতা বাড়বে এবং অকারণে সরকারি অর্থের অতিরিক্ত ব্যয়ের ঝুঁকি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের নিচে, সেগুলোর ক্ষেত্রেও নতুন করে মূল্যায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা, কার্যকারিতা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে পুনর্বিন্যাস, প্রকল্পের পরিধি পরিবর্তন অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী চলমান রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে ধীরগতিতে চলা প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

সরকার বিচ্ছিন্নভাবে প্রকল্প গ্রহণের পরিবর্তে সমন্বিত কর্মসূচির অধীনে গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের দিকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। একই এলাকায় বা একই খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্প আলাদাভাবে বাস্তবায়ন করলে অর্থ, অবকাঠামো ও জনবলের ব্যবহারে সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হতে পারে। সমন্বিতভাবে প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে এই ধরনের সমস্যা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপি বা ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট ব্যবস্থার ব্যবহারও আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়াকে অধিকতর স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও জবাবদিহিতামূলক করার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা কমানো এবং প্রতিযোগিতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও এর ব্যবহার কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শুধু প্রশাসনিক বিবেচনার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকল্প পরিচালনায় দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পিপিপি মডেলের প্রকল্প গ্রহণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বড় অবকাঠামো ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় প্রকল্পে বেসরকারি খাতের দক্ষতা, বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করতে এই মডেলকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সবশেষে সরকারি ক্রয়কে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও জবাবদিহিতামূলক করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল ২০২৫’ হালনাগাদের উদ্যোগের কথাও সংসদে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। ক্রয় ব্যবস্থার নিয়মকানুন সময়োপযোগী করার মাধ্যমে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

উন্নয়ন প্রকল্পে সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি বাংলাদেশের সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের একটি আলোচিত বিষয়। কোনো প্রকল্পের ব্যয় বাড়লে শুধু সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় না, প্রকল্পের সুফল পেতেও সাধারণ মানুষকে আরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। একটি সড়ক, সেতু, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কিংবা পানি সরবরাহ প্রকল্প সময়মতো শেষ না হলে এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে নাগরিক জীবনে। তাই প্রকল্পের সময় ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কেবল প্রশাসনিক দক্ষতার প্রশ্ন নয়; এটি জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।

সরকারের ঘোষিত ১৩ দফা পদক্ষেপ বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে দীর্ঘদিনের এই সমস্যা কতটা কমানো সম্ভব হবে। প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথ পরিকল্পনা, বাস্তবায়নের সময় শক্তিশালী তদারকি এবং অনিয়ম বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়তে পারে। একই সঙ্গে সময়মতো প্রকল্প শেষ হলে জনগণও নির্ধারিত সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পাবে।

সংসদে সরকারের এই পরিকল্পনা ঘোষণার ফলে এখন মূল প্রত্যাশা বাস্তবায়ন পর্যায়ে। প্রকল্পের কাগুজে অগ্রগতির পরিবর্তে মাঠপর্যায়ে বাস্তব কাজ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাপ্তি, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের প্রত্যাশিত সুফল নিশ্চিত করা সম্ভব হয় কি না—সেটিই হবে ঘোষিত উদ্যোগগুলোর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আমিরাতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের তৈমোর হোসেন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নেবে ওমান

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আমিরাতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

রাষ্ট্রপতির সিলেট সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

রাষ্ট্রপতির এপিএস হলেন ফেঞ্চুগঞ্জের তৈমোর হোসেন

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

মহাসড়কে স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

স্থানীয় নির্বাচনে পুলিশকে বেআইনি নির্দেশনা দেবে না ইসি

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

রাষ্ট্রীয় নথিতে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

কিশোরীকে শিকল পরিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৩

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ