সিলেটে শ্রমিক হাটে ভিড়, কাজ না পেয়ে ফিরছেন অনেকে

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

ভোরের আলো ফুটতেই সিলেট নগরের বিভিন্ন সড়কের পাশে জড়ো হতে থাকেন নারী-পুরুষ শ্রমিকেরা। কারও হাতে কোদাল, কারও কাঁধে ঝুড়ি, কারও সঙ্গে কাজের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। কারও চোখে আজকের কাজ পাওয়ার আশা, আবার কারও মনে আগের দিনের মতো খালি হাতে বাড়ি ফেরার শঙ্কা। সকাল গড়িয়ে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ে শ্রমিক হাটগুলোতে। কিন্তু শ্রম বিক্রির জন্য প্রস্তুত মানুষের তুলনায় কাজের সুযোগ কম থাকায় প্রতিদিনই অনেকে ফিরে যান কোনো আয় ছাড়াই।

সিলেট নগরের মদিনা মার্কেট এলাকার এমনই একটি শ্রমিক হাটে কাজের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রোশনা বেগম। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাসিন্দা এই নারী প্রায় এক দশক ধরে সংসারের অভাব মেটাতে স্বামীর পাশাপাশি দিনমজুরের কাজ করছেন। তাঁর বয়স ৪৩ বছর। কাজ পেলে দিনে মজুরি পান ৬০০ টাকা। এর মধ্যে দুপুরের খাবার কিনতেই খরচ হয় প্রায় ১০০ টাকা। কিন্তু প্রতিদিন কাজ জোটে না। কোনো দিন কাজ না পেলে সারাদিনের অপেক্ষা শেষে তাঁকে ফিরতে হয় খালি হাতে।

রোশনার জীবনের সংগ্রাম শুধু নিজের সংসার চালানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সন্তানদের লেখাপড়া করিয়ে তাঁদের জন্য ভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। তাঁর তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে ধর্মপাশা কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেছেন। কয়েক বছর অপেক্ষা করেও চাকরি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন বলে জানান তিনি। ছেলে বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়ছেন, অন্য সন্তানটিও লেখাপড়া করছে। সন্তানদের পড়াশোনার খরচ জোগাতে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই শ্রম বিক্রি করতে হচ্ছে। সন্তানরা পড়াশোনা শেষ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন কি না, সেই দুশ্চিন্তাও তাঁকে তাড়া করে।

নগরজুড়ে অন্তত ১০ থেকে ১৫টি শ্রমিক হাট

শুধু মদিনা মার্কেট নয়, সিলেট নগরের আম্বরখানা, বন্দরবাজার, উপশহর, শিবগঞ্জ, টিলাগড় ও মেডিকেল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন ভোরে বসে শ্রমজীবী মানুষের অস্থায়ী হাট। শ্রমিকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে এমন অন্তত ১০ থেকে ১৫টি হাট রয়েছে। সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত এসব স্থানে কাজের সন্ধানে ভিড় করেন দিনমজুর ও নির্মাণশ্রমিকেরা।

শ্রমিকদের ভাষ্য, প্রতিটি হাটে প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ জনের সমাগম ঘটে। তাঁদের কেউ নির্মাণকাজে সহায়তা করেন, কেউ মাটি কাটেন, কেউ মালামাল বহন করেন, আবার কেউ বাসাবাড়ি বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দৈনিক শ্রমের কাজে যুক্ত হন। কাজের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিকাদার, নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা বাড়ির মালিকেরা শ্রমিক বেছে নেন।

তবে শ্রমিকের সংখ্যা বেশি হলেও কাজের সুযোগ সবার জন্য থাকে না। শ্রমিকদের দাবি, কোনো কোনো দিন অপেক্ষমাণ মানুষের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই কাজ পান না। ফলে কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তাঁদের বাড়ি ফিরতে হয় আয় ছাড়াই। দিনমজুরের ক্ষেত্রে এক দিনের আয় না হওয়া মানে শুধু একটি কর্মদিবস হারানো নয়; অনেক পরিবারের খাবার, সন্তানের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন খরচের হিসাবও এতে এলোমেলো হয়ে যায়।

৩৫ বছরের অভিজ্ঞতায় কাজের ধরনে পরিবর্তন

বন্দরবাজারের শ্রমিক হাটে কথা হয় সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা বশির মিয়ার সঙ্গে। প্রায় ৩৫ বছর ধরে তিনি নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন। কর্মজীবনের শুরুতে তাঁর দৈনিক মজুরি ছিল মাত্র ২৫ টাকা। দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতায় নির্মাণ খাতের কাজের ধরনে পরিবর্তন দেখেছেন তিনি।

বশির মিয়ার ভাষ্য, আগে নির্মাণকাজে বালু-সিমেন্ট মেশানো, ওপরের তলায় ইট-বালু ও অন্যান্য মালামাল তোলা, পানি বহনসহ বিভিন্ন কাজে অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হতো। এখন এসব কাজের কিছু অংশ যন্ত্রের সাহায্যে করা হচ্ছে। ফলে আগের তুলনায় কায়িক শ্রমনির্ভর কাজের চাহিদা কমেছে বলে মনে করেন তিনি।

তাঁর অভিজ্ঞতায়, একসময় শ্রমিক হাটে গেলে প্রায় প্রতিদিনই কাজ পাওয়া যেত। এখন সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেককে কাজ ছাড়াই ফিরতে হয়। শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি কাজের ধরন ও চাহিদায় পরিবর্তন আসায় প্রতিযোগিতা আরও বেড়েছে বলে জানান তিনি।

প্রযুক্তি ও যন্ত্রের ব্যবহার নির্মাণকাজে সময় ও শ্রম কমাতে সহায়তা করলেও এর প্রভাব পড়ছে দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভরশীল শ্রমিকদের জীবনে। যেসব কাজ একসময় একাধিক শ্রমিকের মাধ্যমে সম্পন্ন হতো, সেগুলোর কিছু এখন যন্ত্রে করা সম্ভব হওয়ায় অদক্ষ ও সাধারণ শ্রমিকদের কাজের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে বলে তাঁদের বক্তব্য।

মজুরি কমিয়েও কাজ ধরে রাখার চেষ্টা

কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেটে আসা শ্রমিক বাবুল মিয়ার অভিজ্ঞতাও প্রায় একই। তিনি জানান, আট ঘণ্টা কাজের জন্য একজন পুরুষ শ্রমিকের দৈনিক মজুরি সাধারণত ৮০০ টাকা এবং নারী শ্রমিকের ৬০০ টাকা। কিন্তু কাজের তুলনায় শ্রমিক বেশি থাকায় অনেক সময় নির্ধারিত মজুরি পাওয়া যায় না। কাজ হারানোর আশঙ্কায় কেউ কেউ কম টাকাতেও কাজ করতে রাজি হন।

বাবুল মিয়ার ভাষ্য, ৮০০ টাকা মজুরি পাওয়ার কথা থাকলেও কোনো কোনো দিন ৫০০ টাকায় কাজ করতে হয়। কারণ, কম মজুরিতে কাজ না করলে সারাদিন অপেক্ষা করেও আয় না হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কাজ না পেলে পরিবারের জন্য কোনো অর্থই নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না।

শ্রমিকদের জন্য আরেকটি বড় খরচ দুপুরের খাবার। কাজের জায়গায় খাবার কিনতে গিয়ে দৈনিক আয়ের একটি অংশ ব্যয় হয়ে যায়। তাই খরচ কমাতে অনেকে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসেন। সারাদিন শারীরিক পরিশ্রমের পর হাতে থাকা টাকা দিয়ে সংসারের সব খরচ মেটানোও তাঁদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

দ্রব্যমূল্য ও সংসারের খরচে বাড়ছে চাপ

দিনমজুরদের আয় নির্ভর করে প্রতিদিন কাজ পাওয়ার ওপর। ফলে এক দিন কাজ থাকলে আয় হয়, আর পরদিন কাজ না থাকলে সেই আয়ের ধারাবাহিকতা থাকে না। কিন্তু চাল, ডাল, শাকসবজি, বাসাভাড়া, রান্নার গ্যাস ও বিদ্যুতের বিলের মতো খরচ প্রতিদিনই বহন করতে হয়। আয় অনিয়মিত হলেও ব্যয় নিয়মিত—এই বাস্তবতা শ্রমজীবী পরিবারগুলোর চাপ আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিশেষ করে যেসব পরিবারে একাধিক সন্তানের পড়াশোনার খরচ রয়েছে, তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন। রোশনা বেগমের মতো অনেক শ্রমজীবী মা-বাবা সন্তানদের লেখাপড়া করিয়ে নিজেদের চেয়ে ভালো জীবনের সুযোগ তৈরি করতে চান। কিন্তু কাজের অনিশ্চয়তা ও সীমিত আয়ের কারণে সেই স্বপ্ন ধরে রাখাই তাঁদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

শ্রমিকদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, নির্ধারিত মজুরি সব সময় পাওয়া যায় না, আবার কাজের নিশ্চয়তাও নেই। এ অবস্থায় কেউ কেউ কম মজুরিতে কাজ নিতে বাধ্য হন। এতে শ্রমের ন্যায্য মূল্য পাওয়া এবং পরিবারের প্রয়োজন মেটানো—দুটিই কঠিন হয়ে উঠছে।

দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা কীভাবে

দিনমজুর ও নির্মাণশ্রমিকদের কাজের সঙ্গে নানা ধরনের ঝুঁকি জড়িত। ভারী মালামাল বহন, উঁচু ভবনে কাজ, নির্মাণসামগ্রী ওঠানো-নামানো কিংবা যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু অনিয়মিত আয়ের শ্রমিকদের ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার পর চিকিৎসা ও সংসার চালানোর খরচ বড় সংকট তৈরি করতে পারে।

এ বিষয়ে সিলেট আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তরের শ্রম কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, কোনো শ্রমিক আহত হলে বা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করলে অধিদপ্তরের মাধ্যমে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় থেকে অনুদান অনুমোদনের পর সংশ্লিষ্ট শ্রমিক আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন।

তিনি জানান, এ সহায়তা পেতে শ্রমিককে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করতে হয়। এরপর আবেদন যাচাই-বাছাই করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং অনুমোদন সাপেক্ষে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়। তবে সহায়তার পরিমাণ, যোগ্যতার শর্ত ও আবেদনপ্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রয়োজন।

শ্রমের ন্যায্য মূল্য ও কাজের নিশ্চয়তার প্রত্যাশা

সিলেটের শ্রমিক হাটগুলোতে প্রতিদিনের ভিড় একদিকে কর্মসংস্থানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে, অন্যদিকে কাজের সুযোগ ও শ্রমিকের সংখ্যার মধ্যে ভারসাম্যহীনতার চিত্রও সামনে আনে। কাজের সন্ধানে আসা মানুষের প্রত্যাশা থাকে, অন্তত দিনের শেষে কিছু আয় নিয়ে পরিবারের কাছে ফিরবেন। কিন্তু কাজ না পেলে সেই প্রত্যাশা ভেঙে যায়।

শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে নিয়মিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। নির্মাণ খাতে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করাও প্রয়োজন, যাতে পরিবর্তিত কাজের বাজারে তাঁরা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারেন।

রোশনা বেগমের স্বপ্ন ছিল, সন্তানদের যেন তাঁর মতো প্রতিদিন কাজের সন্ধানে হাটে দাঁড়াতে না হয়। সেই স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে, তবে তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অনিশ্চয়তা। আর বশির মিয়া কিংবা বাবুল মিয়ার মতো শ্রমিকদের কাছে প্রতিটি সকাল নতুন করে কাজ পাওয়ার পরীক্ষা। সিলেটের শ্রমিক হাটে তাই শুধু শ্রম কেনাবেচা হয় না; সেখানে প্রতিদিন অপেক্ষা করে থাকে অসংখ্য পরিবারের জীবিকা, সন্তানের পড়াশোনা এবং একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু ১ হাজার ২৫১ ছাড়াল

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

চুনারুঘাট হাসপাতালে ৫০ শয্যায় রোগী ১৭০, চিকিৎসক মাত্র ১২

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরি করবে বিআরটিসি

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শনিবার সিলেটের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ কাল, অপেক্ষায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

হাম ও উপসর্গে শিশুমৃত্যু ১ হাজার ২৫১ ছাড়াল

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

চুনারুঘাট হাসপাতালে ৫০ শয্যায় রোগী ১৭০, চিকিৎসক মাত্র ১২

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

পিংক বাসের জন্য নারী চালক তৈরি করবে বিআরটিসি

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শনিবার সিলেটের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ কাল, অপেক্ষায় ১২ লাখ শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ওসমানীতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, শনিবার সমাবেশ

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেট সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

৫৭৩ কোটি টাকার ডাইক, তবু থামছে না কুশিয়ারা ভাঙন

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ