৪৮ বছরে বিএনপি: তিন নেতৃত্বে বদলে যাওয়া এক ইতিহাস

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

রাজনীতির উত্থান-পতন, রক্তাক্ত পটপরিবর্তন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং ক্ষমতার পালাবদলের বহু অধ্যায় পেরিয়ে ৪৯ বছরের পথচলায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত দলটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে দলের নেতৃত্বে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় স্পষ্টভাবে উঠে আসে—প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও সাংগঠনিক ভিত্তি নির্মাণ, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আন্দোলন ও গণভিত্তি সুদৃঢ় করার সময় এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রতিকূলতা অতিক্রম করে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলকে পুনর্গঠনের অধ্যায়।

প্রতিষ্ঠার প্রায় পাঁচ দশক পর বিএনপির ইতিহাস কেবল রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়া কিংবা ক্ষমতা হারানোর গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে একটি দলের অভিযোজন, নেতৃত্বের পরিবর্তন, আন্দোলনের অভিজ্ঞতা, সাফল্য-ব্যর্থতা এবং নানা বিতর্ক ও সংকট মোকাবিলার দীর্ঘ ইতিহাস। জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান—তিনজনের নেতৃত্বের সময়কাল, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং কৌশল ছিল ভিন্ন। তবে বিএনপির সাংগঠনিক ধারাবাহিকতায় তিনটি সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জিয়াউর রহমান দলের রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। খালেদা জিয়া সেই ভিত্তিকে আন্দোলন ও নির্বাচনী রাজনীতির মধ্য দিয়ে ব্যাপক গণভিত্তিতে রূপ দেন। আর দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময় দলকে সংগঠিত রাখা এবং নতুন প্রজন্মের রাজনৈতিক বাস্তবতায় নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব এসে পড়ে তারেক রহমানের ওপর।

১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭৬ সালে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণ এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের সময় দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে।

সামরিক শাসনের বাস্তবতার মধ্যেই বহুদলীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয় এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ধারার মানুষকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি।

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। দেশের ভৌগোলিক সীমানা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে এই রাজনৈতিক ধারণা বিএনপির আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও তাঁর সময়ের বিভিন্ন উদ্যোগ আলোচিত হয়েছে। রাষ্ট্রনির্ভর অর্থনৈতিক কাঠামোর পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, জনশক্তি রপ্তানি, পরিবার পরিকল্পনা এবং বিভিন্ন অবকাঠামোগত কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।

জিয়াউর রহমানের ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি বিএনপির রাজনৈতিক ও উন্নয়ন দর্শনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনতে তাঁর সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি তখন ব্যাপক আলোচিত ছিল।

তবে তাঁর রাজনৈতিক সময়কাল বিতর্কের বাইরে ছিল না। সামরিক আইন বহাল থাকা অবস্থায় রাজনৈতিক দল গঠন এবং নির্বাচনী ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে তাই প্রশংসা ও সমালোচনা—দুই ধরনের মূল্যায়নই রয়েছে।

১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর বিএনপি একটি কঠিন রাজনৈতিক সংকটে পড়ে। প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুর পর দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও সেই সময় নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

রাজনীতিতে তাঁর শুরুটা ছিল কঠিন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হন। আশির দশকে এরশাদবিরোধী আন্দোলনে তাঁর নেতৃত্ব বিএনপির রাজনৈতিক পরিচয়কে আরও শক্তিশালী করে।

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে খালেদা জিয়া বিএনপিকে একটি গণভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করেন। দলের সংগঠন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিস্তৃত হয় এবং নির্বাচনী রাজনীতিতে বিএনপির অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। তাঁর প্রথম মেয়াদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা ছিল সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় ফিরে আসা। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হয়।

তাঁর সরকারের সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ, নারী শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, উপবৃত্তি কর্মসূচি এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। মেয়েদের শিক্ষা ও বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি পরবর্তী সময়েও আলোচনায় থাকে।

তবে বিএনপির এই সময়েও রাজনৈতিক বিতর্ক ও সংকট ছিল। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিরোধী দলগুলোর আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। পরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান এনে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়।

২০০১ সালে চারদলীয় জোটের নেতৃত্বে আবারও নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি। এই মেয়াদে টেলিযোগাযোগ খাতের সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে পরিবর্তন আসে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ, রাজনৈতিক সহিংসতা, জোটসঙ্গীদের ভূমিকা এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সরকারকে কঠিন চাপের মুখে ফেলে।

পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে দেশে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই সময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অধ্যায় শুরু হয়।

২০০৮ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির সামনে আসে দীর্ঘ প্রতিকূল সময়। দলটির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নানা চাপের অভিযোগের মধ্যে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়।

এই সময় দলের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তারেক রহমান। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থান করেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ বজায় রাখেন। দলের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বিএনপির নেতারা বারবার কথা বলেছেন।

দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর দেশে ফিরে আসা বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে। এরপর দলকে আরও সক্রিয়ভাবে সংগঠিত করে নির্বাচনী রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির সামনে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায় শুরু হয়।

দলের বর্তমান নেতৃত্বের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন শুধু নির্বাচনী রাজনীতি নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা প্রমাণ করা। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট মোকাবিলা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে সামনে এসেছে।

সরকারের প্রথম দিকের সময়েই বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ, বাজার পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে জনমনে উদ্বেগের কথাও আলোচনায় এসেছে। এসব সংকট মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন তারেক রহমানের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার অংশ।

রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাহাবুল হক বলেন, জিয়াউর রহমান বিএনপির প্রাথমিক রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছিলেন, খালেদা জিয়া দলটিকে গণভিত্তিক শক্তিতে পরিণত করেন এবং তারেক রহমান দীর্ঘ প্রতিকূলতার মধ্যেও সংগঠনকে ধরে রেখে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর মতে, এই তিন সময়ের সংগ্রাম ও অভিযোজন বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি।

৪৯ বছরের পথচলায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার এবং রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক বাণীতে দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, বিএনপির জন্মের সঙ্গে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার রাজনৈতিক অঙ্গীকার জড়িত। দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা উত্তোলন, প্রতিষ্ঠাতাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, সামাজিক কর্মসূচি এবং আলোচনা সভার মাধ্যমে দিনটি পালন করা হচ্ছে।

সামাজিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মৎস্য অবমুক্তকরণ ও বৃক্ষরোপণের মতো কার্যক্রমও রাখা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আলোচনা সভায় দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

৪৯ বছরের ইতিহাসে বিএনপির সামনে যেমন রয়েছে রাজনৈতিক সাফল্যের স্মৃতি, তেমনি রয়েছে বিতর্ক, সংকট ও কঠিন সময়ের অভিজ্ঞতা। প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, খালেদা জিয়ার আন্দোলনমুখী নেতৃত্ব এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাস্তবতায় অভিযোজন—এই তিন অধ্যায় মিলিয়েই গড়ে উঠেছে বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা।

এখন দলটির সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের অভিজ্ঞতাকে কীভাবে কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনা, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের সক্ষমতায় রূপ দেওয়া যায়। ৪৯ বছরের ইতিহাস পেরিয়ে বিএনপির নতুন অধ্যায়ের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে সেই প্রশ্নের উত্তরের ওপর।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

রানা প্লাজা দুর্নীতি মামলার রায় ৬ অক্টোবর

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসিকে জামায়াতের ৯ দফা দাবি

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

স্বল্প সময়েই কমবে লোডশেডিং, আশাবাদী তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বন্ধ ঘরে নারীর অর্ধগলিত লাশ, তদন্তে হত্যার রহস্য

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

অতীতে নয়, ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

রানা প্লাজা দুর্নীতি মামলার রায় ৬ অক্টোবর

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে ইসিকে জামায়াতের ৯ দফা দাবি

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

স্বল্প সময়েই কমবে লোডশেডিং, আশাবাদী তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বন্ধ ঘরে নারীর অর্ধগলিত লাশ, তদন্তে হত্যার রহস্য

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

অতীতে নয়, ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বড়লেখা সীমান্তে ১ হাজার ৭৭০ ইয়াবাসহ দুইজন আটক

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর  ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

অফিসে না এসেও হাজিরায় স্বাক্ষর, ২০ জনকে শোকজ

প্রকাশ:০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের...

জৈন্তাপুরে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ