পোশাকশিল্পে অস্থিরতায় বিনিয়োগে প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ ও কয়েক দিনের অস্থিরতা দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতিতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তাঁর মতে, বিনিয়োগ একটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত। সাময়িক অস্থিরতার কারণে বিনিয়োগকারীরা হঠাৎ করে তাঁদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করবেন, এমনটি মনে করার কোনো কারণ নেই। তবে দেশের অর্থনীতি, শিল্প উৎপাদন এবং বিনিয়োগের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ধরনের অস্থিরতাই কাম্য নয়। কারণ একটি অস্থিরতা অনেক সময় নতুন অস্থিরতার জন্ম দেয়। এতে শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শ্রমিক, মালিক, বিনিয়োগকারী এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষের কারণে দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়বে না বলে মনে করেন তিনি। মন্ত্রীর ভাষ্য, বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বাজারের সম্ভাবনা, উৎপাদন সক্ষমতা, অবকাঠামো এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিবেশ বিবেচনা করে নেওয়া হয়। ফলে সাময়িক পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগ একেবারে থেমে যাবে কিংবা বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটবে, এমন আশঙ্কা করার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে শিল্প খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

সকালে সিলেট নগরের নাইওরপুল এলাকার একটি হোটেলে সামাজিক সম্প্রীতি, সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় করণীয় শীর্ষক ইমাম সম্মেলন ও ত্রিবার্ষিক কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষ এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

শ্রমিক আন্দোলনের বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না বলে তিনি মনে করেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণের জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কার্যকর করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার এবং শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম—দুটিই সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে স্বাভাবিক কারণের বাইরে অন্য কোনো কার্যকারণ বা উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখবে। কোনো শিল্প খাতে অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব শুধু কারখানার মালিক বা শ্রমিকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। উৎপাদন, রপ্তানি, সরবরাহব্যবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রা আয় এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে অর্থনীতিতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়ে থাকলেও তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাকশিল্পের গুরুত্ব বিবেচনায় শ্রমিক-মালিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বিশেষভাবে প্রয়োজন। এ খাতের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের জীবিকা এবং দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ জড়িত। তাই যেকোনো ধরনের অসন্তোষ দেখা দিলে তা দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা, কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা এবং অন্যান্য ন্যায্য দাবির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন পরিবেশ স্বাভাবিক রাখাও জরুরি।

অন্যদিকে, স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর বিষয়ে দুই দেশকেই উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, স্থলবন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে শুধু একটি দেশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় পক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সীমান্ত বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা দূর করা, পণ্য পরিবহনের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে।

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাগ্য পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পর দেশের মানুষ আবারও ১৫ আগস্টের আগের অন্ধকার সময়ে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিল। কিন্তু জনগণ আর পেছনে ফিরে যেতে চায়নি। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার আকাঙ্ক্ষা থেকেই সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল সংকটাপন্ন। জাতীয়করণের কারণে অনেক লাভজনক শিল্পকারখানার কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকাণ্ড নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক সংকট মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়িয়ে দিয়েছিল। ১৫ আগস্টের পর ৩ নভেম্বরের অভ্যুত্থান পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তোলে। পরবর্তী চার দিন দেশের মানুষের জন্য ছিল উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সময়।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সে সময় যোগাযোগব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সীমিত। বর্তমানে মানুষের হাতে মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ থাকলেও তখন এমন ব্যবস্থা ছিল না। তারপরও সেনানিবাসের ভেতরের সিপাহি এবং বাইরের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যে মিল তৈরি হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার আকাঙ্ক্ষা মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ৭ নভেম্বরের পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে নতুন আত্মবিশ্বাস ও জাতীয়তাবোধ সৃষ্টিতে ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একসময় সীমিত সম্ভাবনার দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। প্রাকৃতিক সম্পদের সীমাবদ্ধতা, অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও বন্যাপ্রবণতার মতো চ্যালেঞ্জের কারণে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকের মধ্যে সংশয় ছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজেদের সক্ষমতা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছিল।

তিনি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচনে বাংলাদেশের সাফল্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। মন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, শিল্পোন্নত জাপানকে পরাজিত করে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত ছিল। একই সঙ্গে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং জেরুজালেম ও আল-কুদস ইস্যুতে বাংলাদেশের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। ইরান-ইরাক যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।

জিয়াউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা, কর্মনিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত জীবনযাপন ও নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে ধরে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এসব গুণের কারণে তিনি এখনো মানুষের কাছে সমাদৃত। তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছ থেকেও মানুষ একই ধরনের সততা, দায়িত্বশীলতা ও নীতিনিষ্ঠা প্রত্যাশা করে। এই প্রত্যাশার জায়গা থেকে সামান্য বিচ্যুতিও সাধারণ মানুষ সহজভাবে গ্রহণ করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করতে হলে দলের নেতাকর্মীদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে সততার চর্চা বজায় রাখতে হবে।

বর্তমান সরকারের সামনে থাকা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অতীতে একটি বিপর্যস্ত পরিস্থিতি থেকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার যে প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, বর্তমান সরকারকেও তেমনি দুর্বল অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব নিতে হবে। এ জন্য ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে জনসেবার মান বাড়ানো প্রয়োজন। সরকারকে এমন একটি জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রকৃত অর্থেই প্রয়োজনীয় সেবা পাবে।

পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের নতুন মজুরি প্রসঙ্গে সাম্প্রতিক অগ্রগতিও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ৪ নভেম্বর নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা জানান, নতুন মজুরি ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করার বিষয়ে তাঁরা একমত হয়েছেন এবং বর্ধিত মজুরি জানুয়ারিতে ডিসেম্বরের বেতনের সঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নতুন মজুরির পরিমাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। ফলে মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করা শ্রমিকদের প্রত্যাশা পূরণ এবং শিল্প খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমএ মালিক, এমরান আহমদ চৌধুরী ও তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান এবং সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

সামগ্রিকভাবে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগের পরিবেশ, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসন এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাকশিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানিমুখী খাতে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ ধরে রাখতে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি, মালিকদের সক্ষমতা এবং সরকারের নীতিগত উদ্যোগের মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা জরুরি। সাময়িক অস্থিরতা কাটিয়ে শিল্প খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং উৎপাদন ও বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

সৌদিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

গভীর রাতে সড়ক উন্নয়নকাজে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেট-চট্টগ্রাম-নোয়াখালী পুনরুদ্ধারের দাবি বিজেপি এমপির

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে হৃদয়ের মহাকাব্যিক ইনিংস, হাতছানি ডাবল সেঞ্চুরি

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

সৌদিতে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান তারেক রহমানের

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

গভীর রাতে সড়ক উন্নয়নকাজে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেট-চট্টগ্রাম-নোয়াখালী পুনরুদ্ধারের দাবি বিজেপি এমপির

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে হৃদয়ের মহাকাব্যিক ইনিংস, হাতছানি ডাবল সেঞ্চুরি

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

মসজিদ কমিটির বিরোধে প্রাণ গেল সালিশ ব্যক্তিত্বের, আহত ১০

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

এআই আতঙ্কে ওয়াল স্ট্রিটে ধস, উধাও আড়াই লাখ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আ. লীগের রাজনীতির সুযোগ আর দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ