গ্রাম সরকার ফিরছে, প্রধান হবেন ইউপি সদস্য

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে স্থানীয় শাসনব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আবারও ‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘গ্রাম সরকার আইন, ২০২৬’-এর একটি খসড়া চূড়ান্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রস্তাবিত আইনে ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১৭ সদস্যের একটি গ্রাম সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য পদাধিকারবলে প্রধান এবং সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের আগে সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত নেওয়া হচ্ছে এবং বিষয়টি নিয়ে সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের তৈরি খসড়ায় গ্রাম সরকারকে ইউনিয়ন পরিষদের একটি সহায়ক সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হবে গ্রামের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা চিহ্নিত করা, স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া। প্রস্তাব অনুযায়ী, গ্রাম সরকারের মেয়াদ হবে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মতামত ও অভিজ্ঞতাকে উন্নয়ন পরিকল্পনায় আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

খসড়ায় গ্রাম সরকারের নেতৃত্ব ও সদস্য নির্বাচনের জন্য নির্দিষ্ট কাঠামো প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হবেন এর প্রধান। একই ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন উপদেষ্টা হিসেবে। বাকি ১৫টি সদস্যপদে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, যাতে গ্রামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারেন।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর একজন পুরুষ ও একজন নারী সদস্য এবং দুইজন কৃষক গ্রাম সরকারের সদস্য হবেন। এ ছাড়া একজন করে নিকাহ রেজিস্ট্রার, সমবায় সমিতির সদস্য, পল্লিচিকিৎসক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, শ্রমিক ও যুব প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবেন। সংশ্লিষ্ট এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস থাকলে তাদের মধ্য থেকেও একজন প্রতিনিধিকে সদস্য করার বিধান রাখা হয়েছে।

গ্রামীণ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে একাধিক পেশা ও জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানের মতো বিষয়গুলোতে গ্রামের মানুষের চাহিদা ভিন্ন হতে পারে। তাই এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতা উন্নয়ন পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়ক হতে পারে। তবে এ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নির্ভর করবে সদস্য নির্বাচন কতটা স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয় তার ওপর।

খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণি বা পেশার উপযুক্ত প্রতিনিধি পাওয়া না গেলে গণ্যমান্য ব্যক্তি বা সমাজসেবক শ্রেণি থেকে সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে সেই ঘাটতি পূরণ করা যাবে। সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার তালিকাভুক্ত ভোটারদের অন্তত ১০ শতাংশের উপস্থিতিতে ‘হ্যাঁ-না’ ভোট আয়োজনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করবে ভোট আয়োজনের স্বচ্ছতা, ভোটারদের অংশগ্রহণ এবং প্রক্রিয়াটির বাস্তব প্রয়োগের ওপর।

গ্রাম সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং জুয়ার মতো সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি ও সম্মিলিত প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে এ সংগঠনের ওপর। একই সঙ্গে গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং এসব বিষয়ে নিয়মিত ইউনিয়ন পরিষদকে প্রতিবেদন দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

গ্রামীণ জনপদে অনেক সময় পারিবারিক বিরোধ, জমিজমা নিয়ে মতবিরোধ, প্রতিবেশীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব কিংবা সামাজিক নানা সমস্যার দ্রুত সমাধান পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এসব ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও সমঝোতার পরিবেশ তৈরিতে গ্রাম সরকার ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আইনগত অধিকার, নারী ও শিশুর সুরক্ষা এবং অপরাধের অভিযোগের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কোনো স্থানীয় সংগঠনকে ব্যবহার করা যাবে না। প্রস্তাবিত ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সীমারেখা স্পষ্ট থাকা প্রয়োজন।

উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনাও গ্রাম সরকারের দায়িত্বের মধ্যে রাখা হয়েছে। গ্রামের রাস্তাঘাট, পানি নিষ্কাশন, জনসেবামূলক অবকাঠামো কিংবা অন্যান্য স্থানীয় উন্নয়ন প্রকল্পে কোথায় সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে এ সংগঠন ভূমিকা রাখতে পারে। চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে ইউনিয়ন পরিষদকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার মাধ্যমে উন্নয়নকাজে স্থানীয় জনগণের নজরদারি বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।

এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, পুষ্টি, টিকাদান এবং বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গ্রাম সরকারকে। স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিন ব্যবহার, কৃষির উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে জনগণকে উৎসাহিত করার বিষয়ও খসড়ায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে গ্রাম সরকার কেবল সামাজিক সমস্যা মোকাবিলার সংগঠন হিসেবে নয়, বরং স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়কারী প্রতিষ্ঠান হিসেবেও কাজ করার সুযোগ পেতে পারে।

গ্রামীণ এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এসব উদ্যোগের গুরুত্ব রয়েছে। অনেক সময় সরকারি সেবা বা উন্নয়ন প্রকল্পের সুযোগ সম্পর্কে মানুষ পর্যাপ্ত তথ্য পান না। কোথাও স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সচেতনতার অভাব থাকে, কোথাও বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার কিংবা পরিবেশ সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের ঘাটতি দেখা যায়। স্থানীয়ভাবে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করা গেলে এসব বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা সহজ হতে পারে। তবে এ জন্য গ্রাম সরকারের সদস্যদের দায়িত্ব, কাজের পরিধি এবং ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে সমন্বয়ের পদ্ধতি পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

প্রস্তাবিত আইনে গ্রাম সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য অপসারণের বিধানও রাখা হয়েছে। যথাযথ তদন্তের পর দায়িত্বে অবহেলা, অসদাচরণ, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার কিংবা পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনো সদস্যকে অপসারণ করা যাবে। এ বিধান কার্যকর হলে দায়িত্ব পালনে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে তদন্তের নিরপেক্ষতা, অভিযোগের যথাযথ মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যের আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।

খসড়ায় জেলা প্রশাসকের ক্ষমতা সম্পর্কেও বিধান রাখা হয়েছে। তদন্তে যদি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড কিংবা ক্ষমতার অপব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে জেলা প্রশাসক পুরো গ্রাম সরকার কমিটি বাতিল করতে পারবেন বলে প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাম সরকারকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে। অর্থাৎ, কমিটি বাতিলের ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তি, তদন্তের নিরপেক্ষতা এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয় হবে।

স্থানীয় সরকারব্যবস্থায় গ্রাম সরকারের ধারণা বাংলাদেশে নতুন নয়। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭০-এর দশকে প্রথম গ্রাম সরকার চালু করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে এ বিষয়ে আইন করা হয়। তবে সেই আইন পরে বাতিল হয়ে যায়। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় সরকার কাঠামোয় এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে গ্রাম সরকার পুনর্বহালের প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় সরকার বিভাগ খসড়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মতামত চেয়েছে। ফলে প্রস্তাবটির চূড়ান্ত রূপ, বাস্তবায়নের সময়সীমা এবং কার্যকর করার পদ্ধতি সম্পর্কে সিদ্ধান্তের জন্য আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

গ্রাম সরকার চালু হলে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে গ্রামের অবহেলিত জনগোষ্ঠী, কৃষক, শ্রমিক, নারী ও তরুণদের সমস্যা স্থানীয় আলোচনায় তুলে ধরার একটি কাঠামো গড়ে উঠতে পারে। তবে কেবল কমিটি গঠন করলেই প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবে না। সদস্য নির্বাচনে স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত কার্যক্রম, আর্থিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং ইউনিয়ন পরিষদের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গ্রাম সরকার যেন স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার মাধ্যম হয়ে না ওঠে। সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশ সংরক্ষণ—প্রতিটি ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষণ, পর্যাপ্ত তথ্য, নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা এবং নিয়মিত মূল্যায়ন। প্রস্তাবিত আইন চূড়ান্ত হওয়ার আগে এসব বিষয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হলে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা তৃণমূলের উন্নয়ন ও জনসেবায় কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পেতে পারে। শেষ পর্যন্ত এ উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করবে আইনের কাঠামোর পাশাপাশি বাস্তব প্রয়োগ, জনগণের অংশগ্রহণ এবং জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত করা যায় তার ওপর।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

শায়েস্তাগঞ্জে দেশ নাট্যগোষ্ঠীর ৩৩ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

দিল্লিতে মমতাসহ বিরোধী নেতাদের আটক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

তাহিরপুর সমিতির নতুন নেতৃত্বে রেজাউল-রজত

প্রকাশ:১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের...

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরিত , আটক ৩

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

শায়েস্তাগঞ্জে দেশ নাট্যগোষ্ঠীর ৩৩ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

দিল্লিতে মমতাসহ বিরোধী নেতাদের আটক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

তাহিরপুর সমিতির নতুন নেতৃত্বে রেজাউল-রজত

প্রকাশ:১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের...

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরিত , আটক ৩

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শাল্লায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণ শুরু

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

শ্রম পরিদর্শনে অনিয়ম বরদাশত নয়: শ্রমমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

নোবেলজয়ের দিনেই আইসিসির ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ওসমানীনগরে তিন গাড়ির সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৬

প্রকাশ: ৯ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ