কমিশনারের নির্দেশের পরও এলআর ফান্ডের তথ্য দেয়নি সিলেট প্রশাসন

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন, জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে প্রত্যাখ্যান, এরপর বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল—সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করেও সিলেট জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ডের আয়-ব্যয়ের হিসাব জানতে পারেননি এক তথ্যপ্রত্যাশী। প্রথমে জেলা প্রশাসন জানায়, এলআর ফান্ডের তথ্য তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না। পরে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিলের শুনানি শেষে জানানো হয়, এসব তথ্য দিতে আইনগত কোনো বাধা নেই। কিন্তু সেই নির্দেশের ৩৮ দিন পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘এলআর ফান্ড’ নামে কোনো তহবিল বা হিসাব তাদের কার্যালয়ে নেই। ফলে আবেদনকারী চাওয়া তথ্যের একটিও পাননি। প্রশাসনের দুই দফা জবাবে ভিন্ন অবস্থান প্রকাশ পাওয়ায় তহবিলটির স্বচ্ছতা, হিসাব সংরক্ষণ এবং তথ্য অধিকার আইনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের স্থানীয় রাজস্ব বা এলআর ফান্ডের অর্থ কোথা থেকে আসে, কারা অর্থ দেন, কীভাবে তা ব্যয় করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট হিসাব কোথায় সংরক্ষিত থাকে—এসব বিষয়ে জানতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় আবেদন করেছিলেন একজন তথ্যপ্রত্যাশী। তাঁর আবেদনে তহবিলের আয়-ব্যয় ও অর্থের উৎস সম্পর্কে ছয় ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন, আপিল ও দাপ্তরিক যোগাযোগের পরও এসব প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। বিষয়টি শুধু একটি তহবিলের হিসাব জানার প্রশ্ন নয়; সরকারি প্রশাসনের আর্থিক স্বচ্ছতা এবং নাগরিকের তথ্য জানার অধিকারের বাস্তব প্রয়োগ নিয়েও এটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এলআর ফান্ড স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিশেষ তহবিল হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুদান বা সহযোগিতা নিয়ে এ ধরনের তহবিলে অর্থ জমা করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য। রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় অনুষ্ঠান আয়োজন, গুরুত্বপূর্ণ অতিথিদের আপ্যায়ন, প্রটোকল ব্যবস্থাপনা এবং মাঠ প্রশাসনের কিছু অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে এ অর্থ ব্যবহার করা হয় বলে জানা গেছে। তবে তহবিলের অর্থ সংগ্রহ, হিসাব সংরক্ষণ, ব্যয়ের অনুমোদন এবং নিরীক্ষার পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ও যাচাইযোগ্য তথ্য জনসমক্ষে থাকা প্রয়োজন। কারণ, অর্থের উৎস ও ব্যয়ের খাত সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে তহবিল ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা সহজ হয়।

সিলেট জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ডের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে গত জুনে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে পাঁচ লাখ টাকা দানের একটি ঘটনার পর। ওই অর্থ কোন তহবিল থেকে দেওয়া হয়েছিল, কী নিয়মে ব্যয় করা হয়েছিল এবং এ ধরনের ব্যয়ের অনুমোদন কীভাবে দেওয়া হয়—এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অর্থ ব্যবহারের নিয়ম জানতে গত ২৫ জুন তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করা হয়। আবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছিল সিলেট জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তথ্য-অভিযোগ শাখার সহকারী কমিশনার লাবন্য ইসলামের কাছে।

আবেদনে ২০২৫ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের ২২ জুন পর্যন্ত সময়ের তথ্য চাওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল এলআর ফান্ডে মোট কত টাকা জমা হয়েছে, ওই সময়ে তহবিল থেকে কত টাকা ব্যয় করা হয়েছে, কারা অর্থ দিয়েছেন এবং তাঁদের পরিচয় কী। পাশাপাশি কোন কোন খাতে অর্থ ব্যয় হয়েছে, অতিথি আপ্যায়নে কত টাকা খরচ হয়েছে এবং সিলেট সার্কিট হাউসের অবকাঠামো উন্নয়ন বা আসবাব কেনার কাজে তহবিলের অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। এ ধরনের তথ্য তহবিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনা বোঝার পাশাপাশি অর্থের ব্যবহার নির্ধারিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা মূল্যায়নেও সহায়ক হতে পারে।

তবে ১৫ জুলাই পাঠানো লিখিত জবাবে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, এলআর ফান্ড একটি ‘স্থানীয় তহবিল’ হওয়ায় এ-সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া তথ্য অধিকার আইনের আওতাভুক্ত নয়। এ জবাবের পর আবেদনকারী ২০ জুলাই সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের কাছে আপিল করেন। আপিলের শুনানি হয় ৩০ জুলাই। শুনানি শেষে বিভাগীয় কমিশনার লিখিত আদেশে উল্লেখ করেন, তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর তথ্যের সংজ্ঞা এবং আইনের ৭ ধারায় যেসব তথ্য প্রকাশ বা প্রদান বাধ্যতামূলক নয় বলে উল্লেখ রয়েছে, সেখানে এলআর ফান্ড-সংক্রান্ত তথ্যকে ব্যতিক্রম হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। তাই চাওয়া তথ্য দিতে আইনগত কোনো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয় না।

বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসনকে আবেদনটি বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন। আদেশের অনুলিপি আবেদনকারীকে ১২ আগস্ট ই-মেইলে এবং ১৮ আগস্ট ডাকযোগে পাঠানো হয়। কিন্তু এরপরও তথ্য পাওয়ার প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। আদেশের ৩৮ দিন পর, গত ৭ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ই-মেইলে জানান, আবেদনে উল্লেখ করা ‘এলআর ফান্ড’ নামে কোনো তহবিল বা হিসাব তাঁদের কার্যালয়ে নেই। এ কারণে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া সম্ভব নয় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। একই চিঠি পরে ডাকযোগেও পাঠানো হয়।

জেলা প্রশাসনের দ্বিতীয় জবাবে আরও বলা হয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস যথাযথ মর্যাদায় উদ্‌যাপন, প্রটোকল ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা নেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট কাজে ব্যয় করা হয়। তবে এ ব্যয়ের সঙ্গে আবেদনকারীর উল্লিখিত এলআর ফান্ডের সম্পর্ক কী, অর্থ কোথায় জমা রাখা হয় এবং কীভাবে হিসাব সংরক্ষণ করা হয়—এসব প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর ওই চিঠিতে পাওয়া যায়নি। ফলে প্রথমে তথ্য আইনের আওতাভুক্ত নয় বলা এবং পরে তহবিল বা হিসাব নেই বলে জানানো—দুই অবস্থানের মধ্যে অসামঞ্জস্যের বিষয়টি সামনে এসেছে।

তথ্যপ্রত্যাশীর অভিযোগ, জেলা প্রশাসনের এ ধরনের জবাবের ফলে তহবিলের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংক্ষুব্ধ নাগরিক আন্দোলন সিলেটের সমন্বয়ক আবদুল করিম চৌধুরী বিষয়টিকে তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘লুকোচুরি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রথমে বলা হয়েছে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না বলে তথ্য দেওয়া যাবে না; পরে আপিল শুনানির পর জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট তহবিলের হিসাবই নেই। তাঁর মতে, তহবিলের আয়-ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ করা হলে প্রচলিত অভিযোগ ও সন্দেহের বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সম্ভব হবে। তবে তহবিলের অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নির্ধারণ করতে নথি, হিসাব ও নিরীক্ষার তথ্য যাচাই করা জরুরি।

সিলেট জেলা প্রশাসনের সাবেক দুই পদস্থ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, জেলায় এলআর ফান্ডে বছরে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা জমা হতে পারে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথর কোয়ারিগুলো চালু থাকলে তহবিলে জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বেশি হতো। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, তহবিলের হিসাব জেলা প্রশাসনের নেজারত শাখায় সংরক্ষিত থাকে এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের একজন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার প্রতিবছর অভ্যন্তরীণভাবে হিসাব নিরীক্ষা করেন। তবে এসব তথ্য সাবেক কর্মকর্তাদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পাওয়া; সংশ্লিষ্ট হিসাবপত্র বা নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ্যে যাচাই করা না গেলে অর্থের প্রকৃত পরিমাণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

সাবেক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ী, প্রবাসী, লাইসেন্সধারী অস্ত্রের মালিক, প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুদান বা চাঁদা হিসেবে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। এমন অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ নীতিমালা, গ্রহণের রসিদ, হিসাবের নথি এবং নিরীক্ষা প্রতিবেদন থাকা গুরুত্বপূর্ণ। অর্থ স্বেচ্ছায় দেওয়া হয়েছে কি না, অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো চাপ ছিল কি না এবং ব্যয় যথাযথ অনুমোদন নিয়ে করা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভরযোগ্য নথি থেকেই পাওয়া সম্ভব। এ কারণে তহবিলের অস্তিত্ব, নাম, হিসাবের ধরন এবং অর্থ ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিষ্কার ব্যাখ্যা জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ নাগরিকদের সরকারি ও নির্দিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কাছে সংরক্ষিত তথ্য চাওয়ার সুযোগ দেয়। আইনে কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির তথ্য প্রকাশ না করার ব্যতিক্রম রয়েছে। সাধারণভাবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করার বিধানও রয়েছে; কোনো কোনো ক্ষেত্রে সময়সীমা ভিন্ন হতে পারে। তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য না পাওয়া গেলে আপিল এবং পরবর্তী পর্যায়ে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। তবে আবেদনকারীর অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, কর্তৃপক্ষের লিখিত সিদ্ধান্ত এবং আইনগত বিধান মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সিলেট জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, আবেদনকারীকে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে; এর বাইরে তাঁর কোনো বক্তব্য নেই। অন্যদিকে, সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) সিলেটের সভাপতি ও প্রবীণ আইনজীবী সৈয়দা শিরিন আক্তার মনে করেন, এলআর ফান্ডের তথ্য গোপন করার সুযোগ নেই এবং তথ্য অধিকার আইনের আওতায় এ ধরনের তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তথ্য দিতে অযথা বিলম্ব বা টালবাহানা হলে অনিয়মের সন্দেহ আরও বাড়তে পারে। তবে কোনো অনিয়মের সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট নথি ও হিসাব যাচাই করা প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে সিলেট জেলা প্রশাসনের এলআর ফান্ডের তথ্য চেয়ে আবেদন এবং পরবর্তী দাপ্তরিক যোগাযোগের ঘটনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির প্রশ্নটি সামনে এসেছে। বিভাগীয় কমিশনারের আদেশে তথ্য দিতে আইনগত বাধা নেই বলে উল্লেখ করা হলেও জেলা প্রশাসন পরে সংশ্লিষ্ট নামে তহবিল বা হিসাব না থাকার কথা জানিয়েছে। এই দুই অবস্থানের ব্যাখ্যা, তহবিলের প্রকৃত পরিচয় এবং অর্থের হিসাব কোথায় সংরক্ষিত—এসব বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন। জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নথিভিত্তিক ব্যাখ্যা ও প্রযোজ্য হিসাব-নিরীক্ষার তথ্য প্রকাশ করা গেলে বিতর্কের অবসান এবং নাগরিকের তথ্য জানার অধিকার বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জিতে চতুর্থবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে টোকিওতে তারেক রহমানের উদ্যোগ

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ওয়াজ শেষে ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে মাদানী

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জিতে চতুর্থবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিচার শুরু

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে টোকিওতে তারেক রহমানের উদ্যোগ

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ওয়াজ শেষে ফেরার পথে ডাকাতদের কবলে মাদানী

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ওমানে ১৮ দিন ধরে নিখোঁজ হবিগঞ্জের রিফাত

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ছেলের হামলায় মায়ের মৃত্যু, জকিগঞ্জে গ্রেপ্তার ছেলে

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

পুকুরে মাছ ধরা নিয়ে বিরোধে প্রাণ গেল যুবকের

প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ