কানাডার ভিসার লোভে ফেসবুকে প্রতারণা, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে দুই নারী

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

কানাডায় পাড়ি জমিয়ে ভাগ্য বদল করার স্বপ্ন মানুষের বহু পুরনো। তবে এই উদগ্র চাহিদাকে কেন্দ্র করে দিন দিন সক্রিয় হয়ে উঠছে একশ্রেণির অসাধু ও চতুর প্রতারক চক্র। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে কানাডার ভিসার লোভ দেখিয়ে সাধারণ ও নিরপরাধ মানুষকে জিম্মি করার এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। বিশ্বস্ততার ভান করে পরামর্শ দেওয়ার নামে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি বাগিয়ে নিয়ে পরবর্তীতে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে। আর কাঙ্ক্ষিত টাকা না পেলেই শুরু হয় ব্ল্যাকমেইলের খেলা—সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও ছবি ছড়িয়ে দিয়ে সম্মানহানি করার মতো মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে ভুক্তভোগীদের ওপর। এমন এক ভয়াবহ প্রতারণার শিকার হয়ে চরম উৎকণ্ঠা ও নিরবত্তা ঝুঁকিতে দিন কাটাচ্ছেন সিলেটের বিশ্বনাথের দুই ব্যবসায়ী নারী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রতারণার এই আধুনিক ও জটিল জালের সূত্রপাত ঘটে ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত চটকদার ও মোহনীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। ‘Akram Khan’ (আকরাম খান) নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে প্রতিনিয়ত কানাডার ভিসা প্রসেসিং সহজ ও নিশ্চিত করার নানা প্রলোভন দেখিয়ে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছিল। ভিডিও ও বিভিন্ন ধরনের প্রলোভনমূলক পোস্ট এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যা দেখে সাধারণ যে কেউ সেটিকে কোনো অনুমোদিত ও প্রকৃত ভিসা কনসালটেন্সি ফার্মের প্রোফাইল বলে ভুল করবেন। সেই বিজ্ঞাপনগুলোতে আগ্রহী প্রার্থীদের সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য একটি বিদেশি ইমো নম্বর প্রদান করা হয়। বিজ্ঞাপনের সুনিপুণ সাজসজ্জা ও লোভনীয় আশ্বাসে প্রলুব্ধ হয়ে বিশ্বনাথের বাসিন্দা সীমা বেগম ওই ইমো নম্বরে যোগাযোগ স্থাপন করেন।

যোগাযোগ করার পরপরই চক্রটি অত্যন্ত কৌশলে সীমার আস্থা অর্জন করে ফেলে। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের দোহাই দিয়ে তারা সীমা বেগম এবং তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার সেলিনা বেগমের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতে শুরু করে। ভিসা আবেদনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার অজুহাতে দুই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, মূল পাসপোর্টের তথ্য এবং ব্যক্তিগত আলোকচিত্র হাতিয়ে নেয় তারা। কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়াই বিশ্বাস করে তথ্যগুলো হস্তান্তরের পরই ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারেন তারা কতটা বিপজ্জনক ফাঁদে পা দিয়েছেন। পরবর্তীতে যখন কাজের গতি ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে সীমার মনে সংশয় জাগে এবং তিনি প্রশ্ন তোলেন, তখনই প্রতারক চক্রটি তাদের আসল রূপ প্রকাশ করে।

ভিসা সহায়তার নামে সার্ভিস চার্জের অজুহাতে মুহূর্তের মধ্যেই দুই নারীর কাছে থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করা হয়। আকস্মিক ও অসঙ্গতিপূর্ণ এই মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি শুনে সীমা বেগম ও সেলিনা বেগম তা পরিশোধে অস্বীকৃতি জানান। তখনই শুরু হয় অমানবিক মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন। চক্রটি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, দাবি করা অর্থ অবিলম্বে না দিলে সংগৃহীত জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, মানহানি ঘটানো এবং জীবনে ইতি টেনে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অব্যাহতভাবে ব্ল্যাকমেইল শুরু হয়। একটি একটি করে ভুয়া পোস্ট তৈরির ভয় দেখিয়ে মানসিক চাপের মুখে পিষ্ট করা হতে থাকে দুই নারীকে।

প্রতারকদের ক্রমাগত হুমকি ও সম্মানহানির মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন সীমা বেগম ও সেলিনা বেগম। নিজেদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় শেষ পর্যন্ত প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সীমা বেগম। গত ২১ অক্টোবর সিলেটের বিশ্বনাথ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি পুরো ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নম্বর ১০১৬। সাধারণ ডায়েরিতে তিনি নিজের ও তাঁর পরিবারের চরম নিরাপত্তার অভাবের কথা উল্লেখ করেন। এই চক্রটির দৌরাত্ম্য বন্ধে এবং নিজেদের গোপনীয় তথ্য যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোরালো আকুতি জানান তিনি।

সাইবার অপরাধের এই আধুনিক কৌশল এখন কেবল বিশ্বনাথেই সীমাবদ্ধ নেই, দেশের নানা প্রান্তের বহু মানুষ একইভাবে ফেসবুক কেন্দ্রিক প্রতারক চক্রের শিকার হচ্ছেন। ভিসা কনসালটেন্সির নামে এমন ভুয়া আইডিগুলো বিদেশে অবস্থানরত ভুয়া নম্বর বা ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে এ ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ব্যক্তিগত নথিপত্রের নিরাপদ সুরক্ষা কতটা জরুরি, তা এই ঘটনাটি আরও একবার নির্মমভাবে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

অভিযোগ সংক্রান্ত পুরো বিষয়টি নিয়ে সমকালের পক্ষে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ফেসবুক প্রোফাইল পরিচালনাকারীর সঙ্গে ইমো এবং অন্যান্য মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো প্রকার সাড়া বা বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তি কৌশলে নিজের অবস্থান গোপন রেখে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার নীতি গ্রহণ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাধারণ ডায়েরিটি গ্রহণের পর থেকেই ঘটনাটির গভীর ও সুসূক্ষ্ম তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সাইবার অপরাধ দমন ইউনিটের সহায়তায় প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে অপরাধী চক্রটির প্রকৃত পরিচয় এবং তাদের অবস্থান শনাক্ত করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে থানা প্রশাসন থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে। তবে একই সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে না বুঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল নথিপত্র আদান-প্রদান না করার জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে জানা যায়, সাইবার অপরাধের এই আধুনিক ও জটিল জালের সূত্রপাত ঘটেছিল ফেসবুকের মতো জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত সুচিন্তিত ও চটকদার কিছু বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। সামাজিক যোগাযোগের এই মাধ্যমে ‘Akram Khan’ (আকরাম খান) নামের একটি ফেসবুক প্রোফাইল থেকে প্রতিনিয়ত কানাডার ভিসা প্রসেসিং অত্যন্ত সহজ, দ্রুত ও শতভাগ নিশ্চিত করার লোভনীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছিল। বিজ্ঞাপনের অডিও, দৃষ্টিনন্দন ভিডিও ও বিভিন্ন প্রলোভনমূলক পোস্ট এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যা দেখে সাধারণ যেকোনো মানুষের মনে হওয়া স্বাভাবিক যে এটি কোনো বিশ্বস্ত, অনুমোদিত ও আন্তর্জাতিক মানের প্রকৃত ভিসা কনসালটেন্সি ফার্মের প্রাতিষ্ঠানিক অ্যাকাউন্ট। বিজ্ঞাপনে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে একটি বিদেশি ইমো নম্বর প্রদান করা হয়। বিজ্ঞাপনের সুনিপুণ সাজসজ্জা, মসৃণ উপস্থাপনা ও আশ্বাসের জোয়ার দেখে কোনো প্রকার সন্দেহ না করে বিশ্বনাথের বাসিন্দা সীমা বেগম নিজের ও পরিবারের ভবিষ্যতের কথা ভেবে ওই নির্দিষ্ট ইমো নম্বরে যোগাযোগ স্থাপন করেন।

যোগাযোগ করার পর থেকে প্রতারক চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত চতুরতা ও কৌশলে সীমা বেগমের শতভাগ আস্থা অর্জন করে ফেলে। ভিসা প্রক্রিয়াকরণের নানা জটিল আইনি ধাপ ও আনুষ্ঠানিকতার দোহাই দিয়ে তারা সীমা বেগম এবং তাঁর দীর্ঘদিনের বিশ্বাসযোগ্য ব্যবসায়িক অংশীদার সেলিনা বেগমের অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গোপনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করতে শুরু করে। ভিসা আবেদনের প্রাথমিক কাগজপত্র তৈরির অজুহাতে দুই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, মূল পাসপোর্টের কপি এবং ব্যক্তিগত আলোকচিত্র হাতিয়ে নেয় চক্রটি। সরল বিশ্বাসে ও সুন্দর ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় কোনো ধরনের সংশয় না রেখে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র হস্তান্তরের পরই মূলত ভুক্তভোগী নারীরা বুঝতে পারেন যে তারা কতটা ভয়ঙ্কর ও গভীর এক ডিজিটাল ফাঁদে পা দিয়েছেন। নথিপত্র হস্তান্তরের কিছুদিন পর যখন ভিসা আবেদনের অগ্রগতি ও প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে সীমার মনে সন্দেহ জাগে এবং তিনি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান, ঠিক তখনই প্রতারক চক্রটি তাদের ছদ্মবেশ খুলে ফেলে আসল হিংস্র রূপ প্রকাশ করে।

কানাডার ভিসা সংক্রান্ত প্রাথমিক সহায়তার আড়ালে ‘সার্ভিস চার্জ’ ও প্রশাসনিক ফি-এর নাম করে মুহূর্তের মধ্যেই দুই নারীর কাছে বিপুল অঙ্কের টাকা দাবি করে বসে চক্রটি। আকস্মিক, অযৌক্তিক ও বিশাল অঙ্কের এই অর্থ দাবির কথা শুনে সীমা বেগম ও সেলিনা বেগম তা পরিশোধে পরিষ্কার অস্বীকৃতি জানান। আর ঠিক তখনই শুরু হয় অমানবিক ও নিষ্ঠুর মনস্তাত্ত্বিক নির্যাতন। চক্রের সদস্যরা সরাসরি হুমকি দিয়ে জানিয়ে দেয়, দাবি করা অর্থ অবিলম্বে পরিশোধ না করা হলে তাদের কাছে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট এবং ব্যক্তিগত ছবি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত করা হবে এবং তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। সামাজিকভাবে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেওয়া, পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে অন্ধকার নেমে আনার ভয় দেখিয়ে অনবরত ব্ল্যাকমেইল শুরু করা হয়। একটির পর একটি ভুয়া পোস্ট ও আপত্তিকর তথ্য সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের হুমকি দিয়ে চরম মানসিক চাপের মুখে পিষ্ট করা হতে থাকে এই দুই নিরপরাধ নারীকে।

প্রতারকদের অনবরত ভয়ভীতি প্রদর্শনে দিশেহারা হয়ে পড়েন সীমা বেগম ও সেলিনা বেগম। নিজেদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সামাজিক সম্মান ও পরিবারের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় তারা এক ভয়াবহ মানসিক সংকটে নিপতিত হন। সবদিক বিবেচনা করে অবশেষে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন সীমা বেগম। সিলেট জেলার বিশ্বনাথ থানায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে তিনি পুরো ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ তুলে ধরে একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন। সাধারণ ডায়েরিতে তিনি নিজেদের ও পরিবারের সদস্যদের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশকে অবহিত করেন। এই মারাত্মক অপরাধী চক্রের দৌরাত্ম্য এখনই থামানো না গেলে ভবিষ্যতে আরও অসংখ্য মানুষ এমন ফাঁদে পড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। সীমা বেগম অবিলম্বে এই সংঘবদ্ধ চক্রটিকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং নিজেদের গোপনীয় তথ্য যাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগে ছড়িয়ে না পড়ে, সে ব্যাপারে স্থানীয় ও সাইবার পুলিশের সর্বাত্মক এবং কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

রিয়াদে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে হুতিদের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ভারতে মসজিদ ভাঙার বিরুদ্ধে খেলাফত আন্দোলনের তীব্র নিন্দা

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ধর্মপাশায় বৌলাই নদীতে ডুবে দেড় বছরের শিশু তাবাসছুমের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

চায়না দুয়ারীর দাপটে সুনামগঞ্জে জলমহালের ইজারাদারা চরম বিপাকে

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বাউল করিমের দিরাইয়ে নারী শিল্পীদের গানে আপত্তি, অনুষ্ঠান বন্ধ

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

রিয়াদে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে হুতিদের ড্রোন হামলা

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ভারতে মসজিদ ভাঙার বিরুদ্ধে খেলাফত আন্দোলনের তীব্র নিন্দা

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ধর্মপাশায় বৌলাই নদীতে ডুবে দেড় বছরের শিশু তাবাসছুমের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

চায়না দুয়ারীর দাপটে সুনামগঞ্জে জলমহালের ইজারাদারা চরম বিপাকে

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বাউল করিমের দিরাইয়ে নারী শিল্পীদের গানে আপত্তি, অনুষ্ঠান বন্ধ

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ইউপিডিএফের ৪০ রাউন্ড গুলি: সাজেক থেকে উদ্ধার ৩০০০ পর্যটক

প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ