বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের একটি ঐতিহাসিক রায় এলো। আদালত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন বাতিল করে যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিয়েছেন, যা সিলেটের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের নেতৃত্বে গঠিত আইনি টিমের দায়ের করা রিট পিটিশনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের এই আদেশ জারি করা হয়। আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্তটি আইনগতভাবে যথাযথ নয় এবং এটি সংগঠনের সদস্যদের গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।
এই রায় সম্পর্কে সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের দাবি ন্যায়সংগত ছিল বলেই আদালত আমাদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এই রায় কেবল একটি নির্বাচনের বিষয়ই নয়, বরং এটি প্রতিষ্ঠিত করেছে যে, নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার কোনো অবস্থাতেই খর্ব করা যাবে না।”
সিলেট ব্যবসায়ী ফোরামের আইনি প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের এই রায়কে “সিলেটের ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া” হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি আরও যোগ করেন, “এই রায় প্রমাণ করে যে,আইনের শাসনের মাধ্যমেই অন্যায়ের প্রতিকার সম্ভব। আমরা এখন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করব।”
এই রায়ের মাধ্যমে সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনী প্রক্রিয়া পুনরায় সচল হওয়ায় সাধারণ ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনই নয়, বরং সারাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নাগরিক অধিকারের প্রতি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে।
হাইকোর্টের এই রায়ের পর এখন চেম্বার কর্তৃপক্ষ দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সিলেটের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এখন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন।


