সিলেটে ই-রিকশা নিবন্ধন নিয়ে অনিশ্চয়তা, প্রস্তুতিতে সিসিক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক । সময়ের সন্ধান অনলাইন।

সিলেট নগরীর সড়কে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করছে হাজার হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বা ই-রিকশা। বেপরোয়া গতি, অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, যানজট এবং একের পর এক দুর্ঘটনার কারণে এসব যানবাহন নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। কখনো এসব যানবাহন সম্পূর্ণ বন্ধের দাবি উঠেছে, আবার কখনো চালকদের জীবিকা ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে চলাচলের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। অবশেষে সরকার নির্দিষ্ট শর্তে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা নিবন্ধন ও চলাচলের অনুমতি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা এলেও সিলেটে এখনো আবেদন গ্রহণ শুরু হয়নি। ফলে নগরীতে চলাচলরত ৩০ হাজারের বেশি ই-রিকশার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ২৯ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ১ নভেম্বর থেকে দেশের সিটি করপোরেশন এলাকাগুলোতে ই-রিকশা নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। নতুন ব্যবস্থার আওতায় এসব যানবাহনকে একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার মধ্যে এনে চলাচলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, ট্রাফিক পুলিশের প্রতিনিধি, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অথবা এ বিষয়ে অভিজ্ঞ কোনো প্রতিষ্ঠানের যান্ত্রিক ও ইলেকট্রিক বিভাগের প্রতিনিধি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা থাকবেন।

এই কমিটির প্রধান দায়িত্ব হবে ই-রিকশার যান্ত্রিক ও কারিগরি সক্ষমতা পরীক্ষা করা এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী চলাচলের উপযোগী যানবাহনের বিষয়ে সুপারিশ করা। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন নিবন্ধন ও চলাচলের অনুমোদন দেবে। অর্থাৎ শুধু আবেদন করলেই কোনো যানবাহন নিবন্ধনের সুযোগ পাবে না; নির্ধারিত কারিগরি মান ও অন্যান্য শর্ত পূরণ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, ১ নভেম্বর থেকে নিজ নিজ সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা নিবন্ধনের আবেদন গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা। রাজধানীসহ দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনে এ কার্যক্রম শুরু হলেও সিলেট সিটি করপোরেশনে এখনো আবেদন গ্রহণের দৃশ্যমান প্রস্তুতি দেখা যায়নি। সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিবন্ধন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত অংশীজনদের নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমন্বয় সভা করেনি সিসিক। ফলে সিলেটে কবে নাগাদ নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে, তা নিয়ে চালক ও মালিকদের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম এ কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন। নগরীর কোন এলাকায় কতসংখ্যক ই-রিকশা চলাচল করবে, তা নির্ধারণ করে সেই অনুপাতে অনুমোদন দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নগরীর সড়কের বাস্তব অবস্থা এবং বিভিন্ন এলাকার প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে যানবাহনের সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

অন্যদিকে, ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টিও এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায় বলেন, ই-রিকশা নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁরা অবগত হয়েছেন। তবে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত বা মৌখিক কোনো আহ্বান জানানো হয়নি। সিটি করপোরেশন যখনই আলোচনায় বসতে চাইবে কিংবা সহযোগিতা চাইবে, তখনই পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও চালক-মালিক সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট নগরীতে বর্তমানে ৩০ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচল করছে। নগরীর আয়তন ও সড়কের ধারণক্ষমতা বিবেচনায় এই বিপুলসংখ্যক যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা সিসিকের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাজার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জনবহুল এলাকায় যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে অনিয়ন্ত্রিত ই-রিকশা চলাচলের অভিযোগ রয়েছে।

একদিকে এসব যানবাহন বন্ধ বা সীমিত করা হলে বিপুলসংখ্যক চালকের জীবিকা নিয়ে সংকট তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ছাড়াই অধিকসংখ্যক যানবাহন নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হলে নগরীর যানজট ও সড়কে বিশৃঙ্খলা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবার সীমিতসংখ্যক যানবাহন নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়া হলে বাদ পড়া যানবাহনগুলোর অবৈধ চলাচল বন্ধ করাও প্রশাসনের জন্য কঠিন হতে পারে। ফলে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত ও ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

রিকশা, ব্যাটারি রিকশা-ভ্যান ও ইজিবাইক সংগ্রাম পরিষদের সিলেট মহানগরের উপদেষ্টা আবু জাফর সরকারের নতুন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর ই-রিকশা বৈধতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় তাঁরা সন্তুষ্ট। তবে নিবন্ধন ও লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের জটিলতা, দলীয়করণ কিংবা দুর্নীতি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় চালক ও মালিক সংগঠনসহ সব অংশীজনের মতামত নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

নতুন সিদ্ধান্তে স্বস্তির আশা করছেন চালকেরাও। নগরীর ই-রিকশাচালক ফয়সাল বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে তাঁরা বৈধভাবে গাড়ি চালানোর সুযোগ পাবেন বলে আশা করছেন। এতে পুলিশের হয়রানিও অনেকটা কমে আসতে পারে। তবে নিবন্ধন কার্যক্রম দ্রুত শুরু করা এবং সাধারণ চালকদের জন্য প্রক্রিয়াটি সহজ রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে শুধু নিবন্ধন দিলেই সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে না বলে মনে করেন হিউম্যান রাইটস জার্নালিস্ট কমিশনের সভাপতি ফয়সাল আহমদ বাবলু। তাঁর মতে, চালকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ নিশ্চিত না করলে নতুন বিধিমালার প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং দুর্ঘটনার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে চালকদের প্রশিক্ষণ, ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা এবং নিয়মিত তদারকি জরুরি। অন্যথায় নিবন্ধন দেওয়ার পরও আগের মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

সরকার ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ জারি করেছে। নতুন বিধিমালায় নিবন্ধন, নবায়ন, ফিটনেস, গতিসীমা এবং চলাচলের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের আগের বিধিমালা বাতিল করা হয়েছে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে ই-রিকশার মালিকানা ও চলাচলকে একটি নির্দিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিধিমালা অনুযায়ী, দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশা নিবন্ধনে এককালীন আট হাজার টাকা এবং চার যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার জন্য ১০ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। বার্ষিক নবায়ন ফি যথাক্রমে চার হাজার ও পাঁচ হাজার টাকা। এ ছাড়া সব ধরনের ই-রিকশার জন্য বছরে এক হাজার টাকা ফিটনেস ফি দিতে হবে। নিবন্ধিত যানবাহনের জন্য সিটি করপোরেশন বিনা মূল্যে কিউআর কোডযুক্ত নম্বর প্লেট ও ব্লু-বুক সরবরাহ করবে।

নতুন নিয়মে একজন মালিক তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধনের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে পাঁচ বছর। আবেদন পাওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে। কোনো আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন। এসব বিধান কার্যকর হলে নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় নির্দিষ্ট সময়সীমা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে।

নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং জনবহুল এলাকায় সর্বোচ্চ গতিসীমা থাকবে ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি লেন এবং ফুটপাতে এসব যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি চালকদের সড়কের বাম লেন অনুসরণ এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিলেট নগরীতে নতুন বিধিমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে সড়কের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী ই-রিকশার সংখ্যা নির্ধারণ। একই সঙ্গে কোন সড়কে এসব যানবাহন চলাচল করতে পারবে, কোথায় চলাচল সীমিত থাকবে এবং কীভাবে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে নিয়মিত নজরদারি করা হবে, তা স্পষ্ট করতে হবে। নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত যানবাহন শনাক্ত করার কার্যকর ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে।

সব মিলিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের সামনে এখন একাধিক চ্যালেঞ্জ। চালকদের জীবিকা সুরক্ষা, যাত্রীদের নিরাপত্তা, নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা—সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দ্রুত অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় সভা করে আবেদন গ্রহণের সময়সূচি ঘোষণা এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা জরুরি। তা না হলে কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত নতুন উদ্যোগের সুফল সিলেট নগরীর মানুষ পেতে আরও সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।

এই সপ্তাহের খবরাখবর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হচ্ছেন এল-সাঈদ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ডিসেম্বরের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবার পাশে দাঁড়াল প্রশাসন

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সুনামগঞ্জে ফুটবল বিরোধে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে তদারকি জোরদার হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

বিষয়বস্তু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম মুসলিম সিনেটর হচ্ছেন এল-সাঈদ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

ডিসেম্বরের মধ্যে পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবার পাশে দাঁড়াল প্রশাসন

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সুনামগঞ্জে ফুটবল বিরোধে দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

প্রাথমিক শিক্ষার মান বাড়াতে তদারকি জোরদার হচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

চুনারুঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ধ্বংস মেশিন-পাইপ

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সিলেটে ভাতিজার বটিদার কোপে প্রাণ গেল চাচার

প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

জাপান সফরের অর্জন রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬ । সময়ের সন্ধান ডেস্ক ।...

সম্পর্কিত নিবন্ধ

জনপ্র্যিয় পেজ